Personal Finance

সম্পদ সৃষ্টিতে গুরুত্ব পাক শৃঙ্খলা, পরিকল্পিত লগ্নিতেই হবে লক্ষীলাভ

সম্পদ সৃষ্টির অন্যতম উদাহরণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশ জাপান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২, ১৭:২৯

options
link
সম্পদ সৃষ্টিতে গুরুত্ব পাক শৃঙ্খলা, পরিকল্পিত লগ্নিতেই হবে লক্ষীলাভ

জীবন হোক বা লগ্নির দুনিয়া, শৃঙ্খলা-অনুশাসনের তাৎপর্য সব সময়ই রয়েছে। ‘ডিসিপ্লিনড’ভাবে এগোলে সম্পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া হতে পারে আরও সহজ, আরও নিরাপদ। ব্যাখ্যায় সুকুমার মণ্ডল

Advertisement

 

Advertisement

শৃঙ্খলা জীবন-সম্পদ সৃষ্টিতে কেমন ভূমিকা পালন করে, তার জীবন্ত উদাহরণ হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশ, জাপান। সঠিক পরিকল্পনা, দেশাত্মবোধ এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার মিশ্রণে একটি জাতি কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে-এমন উদাহরণ কমই দেখতে পাওয়া যায়।

Advertisement

শৃঙ্খলা বা অনুশাসন, জীবন গঠনে কেমন ভূমিকা পালন করে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল-শিশু বয়সেই আমাদের বাচ্চাদের অন্যের কাছে পড়াশোনা করানো। কারণ আমরা জানি স্নেহ ও আবেগে ভরা পিতা-মাতার শৃঙ্খলার তুলনায় আমরা অন্যের তত্ত্বাবধানে শিশুদের আরও দক্ষ নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে পারব। তর্কাতীতভাবে আমি বলতে পারি, মানব জীবনের সম্পদ সৃষ্টিতেও এই শৃঙ্খলা এক মস্ত বড় ভূমিকা পালন করে।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে ডেবিট কার্ড জালিয়াতি, জেনে নিন কীভাবে ঠেকাবেন প্রতারকদের]

এ কথা অনস্বীকার্য, কেবল সম্পদ সৃষ্টি বা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নয়, আমরা জীবনের সবক্ষেত্রে, সব সময় নিরাপত্তা বা নিরাপদ অবলম্বন খুঁজে বেড়াই। সুতরাং সম্পদ সৃষ্টিতেও একই পন্থা অবলম্বন করা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু প্রায়শই সঠিক জ্ঞানের অভাবে বিনিয়োগকারী, নিরাপত্তা বা বিমা এবং বিনিয়োগ বা সম্পদ সৃষ্টির মতো বিষয় একই ধারায় বিবেচনা করেন।

এখন দেখা দরকার সম্পদ সৃষ্টিতে আমাদের প্রধান বাধাগুলি কী? সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে মুদ্রাস্ফীতি। এর পর সময়ের ব‌্যাপ্তি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সর্বোপরি বিনিয়োগকারীর আচরণ ইত‌্যাদি। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে আমাদের অবশ‌্যই সম্পদ সৃষ্টিতে অর্থাৎ বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয়ে জীবনের লক্ষ‌্যপূরণে সচেষ্ট হওয়া দরকার। এখানেই প্রয়োজন সঠিক পরামর্শদাতার বিচক্ষণ উপদেশ এবং বিনিয়োগকারীর সদিচ্ছা।

এবার জানতে হবে সম্পদসৃষ্টির ওই বাধাগুলির জন‌্য আপনি কোন পথ বা বিনিয়োগ পন্থা অবলম্বন করতে আগ্রহী। যেমন সোনায় বিনিয়োগ, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ, সরাসরি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ ইত‌্যাদি।

এই উপায়গুলির মধ্যে সবচেয়ে কম দুশ্চিন্তাযুক্ত উপায় হল-মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ। কারণ মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ‌্যমে আপনি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী পূর্ব-বর্ণিত সমস্ত বিনিয়োগেই টাকা রাখতে পারেন। অর্থাৎ এক কথায় বললে মিউচুয়াল ফান্ডে গোল্ড ফান্ড আছে, রিয়েল এস্টেটে লগ্নি করার ফান্ড অাছে, ব্লু চিপ কোম্পানিতে লগ্নি করার ফান্ড আছে এবং এ রকম আরও অনেক বিভিন্ন পছন্দমতো ফান্ড রয়েছে। আরও বড় বিষয় হল, সেবি-র নিয়ন্ত্রণে ফান্ড পারফরম্যান্সের দায়িত্বে থাকেন অতি দক্ষ ফান্ড ম্যানেজার। সেক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীর দুশ্চিন্তা অনেক কম থাকে। আসুন নিজের ও দেশের আর্থিক ভিতকে আরও মজবুত করতে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করি।

লেখক বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ
এবং ওয়েলথ কোচ
সাফল‌্য ও সমৃদ্ধি এলএলপি

[আরও পড়ুন: গৃহঋণে বিশেষ ‘অফার’ কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংকের, জেনে নিন মিলছে কী কী সুবিধা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.