সোৎসাহে শহরে সিদ্ধিদাতার আরাধনা, ছবিতে ছবিতে ধরা দিলেন ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’
লেক কালী বাড়ির গণেশ পুজো - ভক্তদের কাছে এই আরাধনা কেবল সিদ্ধিদাতার পুজো নয়, বরং হয়ে উঠেছে এক মিলনোৎসব। এই পুজোর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল এখানকার সুবিশাল গণেশ মূর্তি। প্রতি বছর গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। নিয়মনিষ্ঠা ও সাড়ম্বরে সিদ্ধিদাতার আরাধনা করা হয় এখানে। চিত্র – পিন্টু প্রধান
আরও পড়ুন:
ভবানীপুর গণপতি ভক্ত মণ্ডল – শহরের অন্যতম প্রসিদ্ধ গণেশপুজোটি এখানেই হয়ে থাকে। বিশেষভাবে নজর কাড়ে এখানকার গণেশ পুজোর থিম। ২০১৮ সালে মুম্বইয়ের বিশেষ ‘সিদ্ধিদাতা’ মূর্তিটি ভক্তের পূজা পেয়েছিল এইখানে। অন্যান্য বছরেও বিবিধ চমকপ্রদ থিম তৈরি করা হয়েছে এখানে। উৎসবের দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের জন্য হাজার হাজার তাজা লাড্ডু ও মোদক তৈরি এবং বিতরণ করা হয়। চিত্র – অরিজিৎ সাহা
উত্তর কলকাতার সিদ্ধি বিনায়ক মন্দির – মুম্বইয়ের বিখ্যাত সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরের আদলে তৈরি গজাননের এই মন্দিরটির অবস্থান বড়বাজার অঞ্চলে। এইখানে অধিষ্ঠান করেন সিদ্ধিদাতা গণেশের এমন এক রূপ, যার আশীর্বাদে সাফল্য আসে, বাধা দূর হয় ভক্তের জীবনে। এমন দিনগুলিতে মন্দির চত্বর হয়ে ওঠে আরও উৎসবমুখর। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক অসামান্য মেলবন্ধন দেখা যায় এখানকার পুজো উদযাপনে। চিত্র – পিন্টু প্রধান
২১০০ কেজির মোদক, ভবানীপুর – মোদক ছাড়া গণেশ পুজো সম্পূর্ণই হয় না। সিদ্ধিবিনায়কের প্রতিমার হাতেই দেখতে পাওয়া যায় মোদকের উপস্থিতি। গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে তাই কলকাতার ভবানীপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান ‘বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমন মল্লিক’ আয়োজন করে ২১০০ কেজি ওজনের, ৯ ফুট উচ্চতার এক বিশাল মোদকের। এটি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে সম্পূর্ণ খাঁটি ঘি, মাওয়া, ড্রাই ফ্রুটস প্রভৃতি। চিত্র – পিন্টু প্রধান
আরও পড়ুন:
বাঁশতল্লা কা মহারাজা, বড়বাজার - বড়বাজার অঞ্চলের বিখ্যাত মহারাজা চক সংলগ্ন বাঁশতল্লা গলি এলাকায় আয়োজিত হয় এই পুজোটি। যত্নে সাজানো গণেশ প্রতিমা, আলোকসজ্জা এবং পুজোর ধুমধাম মিলিয়ে এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের পরিবেশ। ব্যবসায়িক এলাকার সঙ্গে এই ধর্মীয় আবহের মেলবন্ধন বড়বাজারের নিজস্ব সংস্কৃতিরই অংশ। সিদ্ধিদাতা গণেশকে ঘিরে ভক্তদের বিশ্বাস, প্রার্থনা এবং শুভকামনায় মুখর হয়ে ওঠে। চিত্র – পিন্টু প্রধান
হাওয়া সকালের গণেশ পুজোর ১৫ বছর পূর্তি – সোশাল মিডিয়ায় সবচাইতে ‘ভাইরাল’ গণেশ পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। নেপথ্যে ‘কিউট গণেশ’ থিম। সিদ্ধিবিনায়ক এখানে নেহাতই ফোলা গাল, মিষ্টি হাসির শিশু গণেশ প্রতিমা। ঈশ্বর এখানে দূরের দেবতা নন, বরং ভক্তের বাড়ির একান্ত আদরের শিশুটিই হয়ে উঠেছেন যেন। দর্শনার্থীরা ভালোবেসে ‘গোনু’ নাম দিয়েছেন গণপতির এমন রূপটিকে। চিত্র – পিন্টু প্রধান