অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ধর্ষণের দৃশ্যে অভিনয়, অকস্মাৎ শুরু রক্তপাত! ভয়ংকর অভিজ্ঞতা বলিউডের নায়িকার
১৯৭৪ সালের সেই ছবি ছিল সেবছরের অন্যতম সেরা ব্লকবাস্টার। দর্শক শিউরে উঠেছিলেন ভয়াবহ ধর্ষণ দৃশ্য দেখে।
সাতের দশকের অন্যতম ‘হায়েস্ট পেড’ অভিনেত্রী ছিলেন বঙ্গতনয়া মৌসুমী। কেবল রিলেই নয়, রিয়েল লাইফেই তিনি ছিলেন 'বালিকা বধূ'। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। বিয়ে হয়েছিল হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের পুত্রের সঙ্গে। মা-ও হয়েছিলেন অল্প বয়সেই। আর গর্ভে সন্তান ধারণ করেই তাঁকে করতে হয়েছিল ভয়ংকর ওই দৃশ্যের শুটিং।
আরও পড়ুন:
ছবির নাম ছিল 'রোটি কাপড়া অউর মকান'। ১৯৭৪ সালের সেই ছবি ছিল সেবছরের অন্যতম সেরা ব্লকবাস্টার। 'ম্যায় না ভুলুঙ্গা', 'হায় হায় ইয়ে মজবুরি', 'মহেঙ্গাই মার গ্যাই'র মতো সুপার ডুপার হিট গানগুলি এখনও লোকের মুখে মুখে ফেরে। আর এই ছবিতেই দর্শক শিউরে উঠেছিলেন মৌসুমীর ভয়াবহ ধর্ষণ দৃশ্য দেখে। কিন্তু ছবির শুটিংয়ের সময় খোদ অভিনেত্রীই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
সমাজের নগ্ন সত্যি দেখানো হয়েছিল মনোজ কুমার পরিচালিত ওই ছবিতে। আর সেই কারণেই চিত্রনাট্যে ছিল ওই দৃশ্য। জানতে পেরে মৌসুমী খুব ঘাবড়ে গেলেন। কেননা ততদিনে তিনি মা হতে চলেছেন। ধর্ষণের দৃশ্য মানেই সেখানে ধস্তাধস্তির বিষয়টা থাকবেই। গর্ভের সন্তানের কোনও ক্ষতি হয়ে যাবে না তো! এই ভয় মৌসুমী পাচ্ছিলেন। আর সেই ভয় নিয়েই পৌঁছে গিয়েছিলেন শুটিং ফ্লোরে।
এক আটার গুদামে শুটিং হচ্ছিল। চিত্রনাট্য অনুযায়ী, সেখানেই খলনায়ক ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের জোর করে মৌসুমীকে ধরে ফেলার কথা। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে প্রচুর আটা ছড়িয়ে পড়ে মৌসুমীর শরীরে। চুল ও পোশাক পুরোপুরি ঢেকে যায়। শুধু তাই নয়, তাঁর শরীর থেকে রক্তপাতও শুরু হয়। ব্যথায় কাতর অভিনেত্রীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভাগ্য ভালো যে আমার সন্তানকে হারাতে হয়নি।"