বিশ্বকাপজুড়ে বিতর্ক, বারবার নিশানায়, কত টাকা বেতন পান ফিফা সভাপতি?
গত বছর ৩৩ শতাংশ বেড়েছে ফিফা সভাপতির বেতন।
যেভাবে আমেরিকার বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুয়েমি চোখ বুজে সহ্য করে গিয়েছেন তিনি, সেটা অনেকের না পসন্দ। কখনও ফুটবলারদের সঙ্গে জঙ্গির মতো আচরণ, আবার ইরান ফুটবলারদের আমেরিকায় বেশিক্ষণ থাকতে না দেওয়া, রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়া, এমন নানাবিধ অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে রয়েছে রেফারিং এবং VAR বিতর্ক।
আরও পড়ুন:
চলতি বিশ্বকাপে ফিফা সভাপতির সবচেয়ে দৃষ্টিকটু বিতর্কটা ছিল আমেরিকার ফুটবলার বালোগুনের লালকার্ড বাতিল। অভিযোগ সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে আমেরিকার ওই স্ট্রাইকারের লাল কার্ড বাতিল করেছেন ফিফা সভাপতি। ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের জেরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তও চেয়েছে। যদিও ফিফার সাফ দাবি, ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফার বিচারবিভাগ। সেটার সঙ্গে সভাপতির কোনও সম্পর্ক নেই।
সেপ ব্লাটারের পরবর্তী ফিফা সভাপতি হিসাবে প্লাতিনিকেই এগিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ব্লাটারের একটি আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে প্লাতিনির নাম জড়িয়ে তাঁকে ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি হতে বাধা দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে ফিফার এথিক্স কমিটি প্লাতিনিকে আট বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠায়। ফলে তাঁর ফিফা সভাপতি হওয়া হয়ে ওঠেনি। প্লাতিনি মনে করছেন তাঁকে বাধা দেওয়ার মানুষকে কৌশলে নেতৃত্ব দিয়েছেন বর্তমান ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো।
আরও পড়ুন:
জিয়ানি ইনফান্তিনোর মূল বার্ষিক বেতন ২৬ লক্ষ সুইস ফ্রাঁতে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ২০২৫ সালে তাঁর বার্ষিক বোনাস একধাক্কায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। আগে যা ছিল ১৬.৫ লক্ষ সুইস ফ্রাঁ, এখন তা দাঁড়িয়েছে ২২ লক্ষে। অর্থাৎ, শুধু বোনাস বাবদই বৃদ্ধি পেয়েছে ৫.৫ লক্ষ সুইস ফ্রাঁ। এছাড়াও তিনি ২৪ হাজার সুইস ফ্রা অনুদান হিসাবে পান। সব মিলিয়ে তাঁর বেতনটা ভারতীয় মুদ্রায় ৫৭ কোটি ২০ লক্ষ।