Probashe Durga Puja: সিঁদুরখেলা-কোলাকুলি-মিষ্টিমুখ, চোখের পলকে পুজো শেষ মেমফিসে
ছবিতে দেখে নিন আমেরিকার এই পুজোর খুঁটিনাটি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২৩, ১২:৩৪
১১০
শিকড়ের টানে শারদোৎসবের আয়োজন করে থাকেন আমেরিকার মেমফিস শহরের বাসিন্দা। ৪৪ বছর ধরে একইভাবে পুজো হয়ে আসছে এখানে। সপ্তাহান্তে এখানকার প্রবাসী বাঙালিরা মেতে ওঠেন মাতৃ আরাধনায়।
২১০
পঞ্চপ্রদীপ, মন্ত্রোচ্চারণ, অঞ্জলি, আশীর্বাদে পাঁচদিনের পুজো দু দিনেই সমাপ্ত। তাই প্রতি পল-অনুপল আনন্দে ভরে নিতে চান প্রবাসী বাঙালিরা। পুজোয় হাজার ব্যস্ততার মাঝেই আনন্দ খুঁজে নেন তাঁরা।
শুধু পুজোই নয়, সপ্তাহান্তে মেমফিসের কর্ডোভা কমিউনিটি সেন্টারে হয়ে গেল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কলকাতার ছোঁয়া পেতে বাংলা সংস্কৃতি চর্চার আয়োজন। পুজোর সন্ধেগুলো একেবারে জমজমাট।
৭১০
পুজোয় পেটপুজো আবশ্যিক। আর তেমনই খাওয়াদাওয়ার আয়োজন মেমফিসে। শুক্র-শনি-রবিতে পুজো শেষে ভোগ আর পছন্দের সব বাঙালি রেসিপির রসাস্বাদন মনপ্রাণ খুলে। সকলের হাতে হাতে দেওয়া হয় খাবারভর্তি প্লেট।
৮১০
এবার উমা বিদায়ের পালা। ঠিক সন্ধে নামার আগে সাবেকি সাজে সেজে পানপাতা দিয়ে মুছিয়ে দেওয়া মায়ের চোখের জল, মিষ্টি খাইয়ে কানে কানে বলা - 'আবার এসো মা'।
৯১০
বিদেশিনীরাও শামিল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে। পরনে লাল শাড়ি, কপালে টিপ - ঠিক যেন বঙ্গবধূ সব! আসলে দুর্গাপুজোর আমেজে না মজে উপায় কী?
১০১০
বিজয়া দশমীতে সিঁদুরখেলায় মেতে উঠেছেন এই বিদেশিনীও। এভাবেই মেমফিসের শারদোৎসব বাঙালি সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিয়ে যায় আমেরিকার মাটিতে।
এই উপলব্ধি থেকে সকলকে পুজোর উপহার দিয়েছেন রাজ্যপাল। ছোট থেকে বড়, সকলের হাতে তুলে দিয়েছেন কিছু না কিছু। আর তা পেয়ে মুখে হাসি ফুটেছে দরিদ্র মানুষজনের।
৪৫
ছোটদের চকোলেট, মিষ্টি খাওয়ালেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। বড়দের দিলেন অর্থ। আশীর্বাদ স্বরূপ কারও হাতে তুলে দিলেন মা দুর্গার মূর্তি।
৫৫
বাবুঘাটে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের সঙ্গে সময় কাটালেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। জানালেন, উৎসবের মরশুমে এভাবে সাধারণের মধ্যে মিশে থাকলেই মায়ের প্রকৃত পুজো হবে।