Snan Yatra 2026

১০৮ কলস জলে স্নান, ৫৬ ভোগের ব্যবস্থা, দিঘার জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর গজবেশ

দিঘার মূল মন্দিরের পাশে মণ্ডপ। সোমবার সেখানেই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা। মণ্ডপে বিশেষ বেদিতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দারুমূর্তিকে ধর্মীয় রীতি মেনে দুধ ও নানা উপচার মিশ্রিত জলে স্নান করানো হবে।

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৫:৩৯

options
link
১০৮ কলস জলে স্নান, ৫৬ ভোগের ব্যবস্থা, দিঘার জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর গজবেশ
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে পুণ্যার্থীর ঢল। ফাইল চিত্র

দিঘার মূল মন্দিরের পাশে মণ্ডপ। সোমবার সেখানেই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা (Snan Yatra 2026)। মণ্ডপে বিশেষ বেদিতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দারুমূর্তিকে ধর্মীয় রীতি মেনে দুধ ও নানা উপচার মিশ্রিত জলে স্নান করানো হবে। দিঘা জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্টি কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “মূল মন্দিরের বাইরে স্নানমণ্ডপে হবে স্নানযাত্রার অনুষ্ঠান।”

Advertisement

সকালে মন্দির থেকে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি পহন্ডি বিজয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মন্দির থেকে স্নানমণ্ডপে নিয়ে আসা হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে স্নানযাত্রার অনুষ্ঠান। এরপর জগন্নাথদেব ফিরে যাবেন মন্দিরে। দুপুর ১টায় ধারণ করবেন গজবেশ। নিবেদন করা হবে ৫৬ ভোগ। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রচুর জলে স্নান করার কারণে জগন্নাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

Advertisement

প্রথা অনুসারে মহাস্নানের পর জগন্নাথ, বলরাম ও দেবী সুভদ্রা অবসর পালন করেন। এই সময়ে ভগবান অসুস্থতার লীলা প্রদর্শন করে জনসাধারণের দর্শন থেকে অন্তরালে থাকেন এবং রথযাত্রার পূর্বে নবযৌবন রূপে পুনরায় দর্শন দেন। সেই কারণে এদিন সন্ধ্যা থেকে ১৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত জগন্নাথ, বলরাম ও দেবী সুভদ্রার দর্শন বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়েও জগন্নাথ মন্দির প্রতিদিন ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, এবং ভক্তরা রাধা মদনমোহনের দর্শন, পূজা, আরতি ও অন্যান্য নিত্যসেবায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

Advertisement

অপরদিকে রথযাত্রার অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে শনিবার প্রশাসনিক বৈঠক হয় দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদে। রথযাত্রার প্রস্তুতি বৈঠকের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকও আনুষ্ঠিত হয়। ছিলেন জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, রামনগরের বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। এ বার দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের রথযাত্রা দ্বিতীয় বছরে পড়ছে। যার কারণে রথযাত্রার ভিড় নিয়ন্ত্রণ-সহ দর্শনার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা বা অসুবিধায় পড়তে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রামনগরের বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, “ভিড় নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পূর্ত, ট্র্যাফিক মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.