খেজুরি সৎসঙ্গ

কীর্তনে মাতলেন শুভেন্দু অধিকারী, খেজুরির সৎসঙ্গের উৎসবে অন্য রূপে মন্ত্রী

রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে খেজুরিকে তুলে ধরার ইচ্ছাপ্রকাশ পরিবহণ মন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০, ১৭:১৩

options
link
কীর্তনে মাতলেন শুভেন্দু অধিকারী, খেজুরির সৎসঙ্গের উৎসবে অন্য রূপে মন্ত্রী

সৈকত মাইতি, তমলুক:‌ শুধু ডাকে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হওয়াই নয়। প্রথমবার খেজুরির সৎসঙ্গে পা রেখে ভক্তদের সঙ্গে কীর্তনে মেতে উঠলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খোল-করতাল আর খঞ্জনির ধ্বনিতে আপ্লুত হয়ে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে ভজনে সুরও ধরলেন মন্ত্রী। শুক্রবার সন্ধেবেলা খেজুরি বন্দর সৎসঙ্গ আশ্রমের এমনই বিরল ঘটনার সাক্ষী রইলেন এলাকার সৎসঙ্গের হাজার হাজার অনুগামী।

Advertisement

বঙ্গোপসাগরের মোহনা সংলগ্ন অনুকূল ঠাকুরের ৫২তম বাৎসরিক বসন্ত উৎসবে যোগ দিয়ে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অনুকুল ঠাকুর বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলায় হিমাইতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু এত বছর পরও সনাতন ধর্মের প্রচারক শ্রী শ্রী ঠাকুরের মানবপ্রেম আজও আমাদের শিক্ষা দেয়। নিজে না খেয়েও অনেকেই খাওয়াতেন তিনি। তাই এই মন্দির দর্শনে আগত ভক্ত, যাঁরা নিজেদের অন্তর্নিহিত আধ্যাত্মিক চেতনাকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারে তার জন্য যে কোনও ধরনের প্রয়োজনে আমি পাশে থাকব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভক্তদের বিশ্বমানের সুবিধা দিতে তৎপর ইসকন, মায়াপুরে চালু পূজারি ফ্লোর]

ইতিমধ্যেই মন্দির কর্তপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে ঠিক হয়েছে, পানীয় জল ও উন্নত বিদ্যুৎ পরিষেবা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে মন্দির চত্বর। সেইসঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম সৎসঙ্গকে ইতিমধ্যেই একটি বিশাল জমিও দান করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, একথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন খেজুরি সৎসঙ্গের মঞ্চে উঠেই প্রথমে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো একটি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করে শোনান। মুখমন্ত্রী তাঁর বার্তায় জানিয়েছেন, “আমি আসতে পারলাম না। শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নির্দেশে খেজুরিতে বঙ্গোপসাগরের মোহনার কাছে সৎসঙ্গের মন্দিরটি তৈরি হয়েছে। শ্রী শ্রী ঠাকুরের নির্দেশেই এখানে বসন্তোৎসব পালিত হয়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সৎসঙ্গীরা এখানে আসেন। আমি উৎসবের সাফল্য কামনা করি।” এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পর শুভেন্দুবাবু বলেন, “আশ্রমের অধ্যক্ষ দীপঙ্কর মণ্ডলকে মুখ্যমন্ত্রী খুব ভালোবাসেন। এই আশ্রমের উন্নতি কল্পে আমরা প্রচুর কাজ করব।” সেইসঙ্গে ঘনিষ্ঠ মহলে শুভেন্দুবাবু জানিয়েছেন, এই এলাকা পর্যটন কেন্দ্র হওয়ার জন্য আদর্শ। ইকো টুরিজমের পাশাপাশি আশ্রমের আধুনিকীকরণ হলে, দেশ-বিদেশের পর্যটকরাও ভিড় করবেন এই এলাকায়। আখেরে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তিই তাতে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভূতে ধরেছে’ সন্দেহে চিকিৎসার বদলে ঝাড়ফুঁক, কুসংস্কারের বলি ২ শিশু]

দেশের প্রথম ডাকঘরটি গড়ে উঠেছিল খেজুরি আশ্রম সংলগ্ন এলাকায়। এখানেই ইতিউতি ছড়িয়ে রয়েছে বহু প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন। যা সবই এখন ভগ্নপ্রায়। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথা থেকে স্পষ্ট যে তিনি দেশের পর্যটন মানচিত্রে খেজুরি ও এই সৎসঙ্গ আশ্রমটিকে আলাদা চেহারায় দেখতে চান। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল, আশ্রমের অধ্যক্ষ দীপঙ্কর মণ্ডল-সহ অন্যান্য ভক্তবৃন্দ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.