Swami Vivekananda

মৃত্যুর দিন আগেই জানতেন স্বামীজি! মহাপ্রয়াণের পূর্বমুহূর্তে কী কী করেছিলেন বিবেকানন্দ?

মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেন এই বীর সন্ন্যাসী!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৮:৫৭

options
link
মৃত্যুর দিন আগেই জানতেন স্বামীজি! মহাপ্রয়াণের পূর্বমুহূর্তে কী কী করেছিলেন বিবেকানন্দ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাল ১৯০২, ৪ জুলাই। বেলুড় মঠে সেদিন শোকের ছায়া। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেন বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ। তবে প্রশ্ন ওঠে, তাঁর এই অকালপ্রয়াণ কি নিছকই শারীরিক অসুস্থতা? নাকি মহাপ্রয়াণের ইঙ্গিত তিনি আগেই পেয়েছিলেন? ইতিহাসের পাতা ওলটালে উঠে আসে কিছু শিহরণ জাগানো তথ্য।

Advertisement

স্বামীজি তাঁর অনুগামী স্বামী অভেদানন্দকে আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি আর বড়জোর পাঁচ বছর বাঁচবেন। তাঁর আত্মা নাকি এতটাই বিশাল হয়ে উঠেছিল যে, তা আর ওই নশ্বর শরীরে ধরে রাখা যাচ্ছে না। শরীর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ছটফট করছে তাঁর অন্তরাত্মা। এমনকী শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবও একবার বলেছিলেন, নরেন যেদিন বুঝবে তার কাজ শেষ, সেদিন সে নিজেই চলে যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
গুরুভাইদের সঙ্গে স্বামীজি

মৃত্যুর মাত্র দু’দিন আগে, ২ জুলাই ভগিনী নিবেদিতাকে পরম যত্নে নিজের হাতে খাইয়েছিলেন স্বামীজি। নিবেদিতা তখন বুঝতে না পারলেও পরে অনুধাবন করেন, গুরু আসলে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়েছিলেন। ৪ জুলাই রাতে নিবেদিতা স্বপ্নে দেখেছিলেন, শ্রীরামকৃষ্ণ দ্বিতীয়বার দেহত্যাগ করছেন। ঠিক রাত ৯টা ১০ মিনিটে যখন স্বামীজির প্রয়াণ ঘটে, সেই একই সময়ে নিবেদিতা এই অলৌকিক স্বপ্নটি দেখেন।

Advertisement
ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে স্বামীজি

৪ জুলাই খুব ভোরে তিনি উঠে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ ধ্যান করেন। ছাত্রদের ব্যাকরণ ও দর্শন পড়ান। সেদিন গঙ্গার ঘাটে মাঝিদের নৌকা থেকে টাটকা ইলিশ মাছ কিনে এনেছিলেন তিনি। সবার সঙ্গে আনন্দ করে ইলিশের নানা পদ দিয়ে দুপুরের আহার সারেন। অথচ সেদিন বিকেলেই তিনি মঠের একটি নির্দিষ্ট স্থান দেখিয়ে বলেছিলেন, “আমার দেহ গেলে ওখানে সৎকার করিস।” বেলুড়মঠের সেখানেই আজ দাঁড়িয়ে আছে তাঁর স্মৃতিমন্দির।

ডাক্তারি রিপোর্টে মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে যাওয়াকে মৃত্যুর কারণ বলা হলেও, শিষ্যদের দাবি তিনি ‘মহাসমাধি’ লাভ করেছিলেন। মৃত্যুর সময় তাঁর ব্রহ্মরন্ধ্র ফেটে গিয়েছিল। মৃত্যুর আগে স্বামীজি বলতেন, তিনি ৪০ বছর বয়স পার করবেন না। সত্যিই তাঁর প্রয়াণকালে বয়স হয়েছিল ৩৯ বছর ৫ মাস ২৫ দিন। ৩৯ বছরের সেই সংক্ষিপ্ত জীবনেই তিনি বিশ্বকে দিয়ে গিয়েছিলেন চিরন্তন সত্যের সন্ধান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.