দেবী দুর্গার ১০৮ অবতারের অন্যতম এক সঙ্কটনাশিনী রূপ হলেন মা বিপত্তারিণী। দেবীর আশীর্বাদে কাটে জীবনের সকল বাধাবিপত্তি। বিশ্বাস ও ভক্তির আবহে এবছর জুলাইয়ে ফের ঘরে ঘরে মা বিপত্তারিণীর আবাহন। প্রতি বছরের মতো এবারও দু’দিন দেবীর আরাধনা। গত ১৮ জুলাইয়ের পর এবার ২১ জুলাই বিপত্তারিণী পুজো (Bipodtarini Puja 2026)। বেশিরভাগ হিন্দু পরিবারের মহিলা এই ব্রতপালন করেন। বিশেষ তিথিতে নানা নিয়মও পালন করেন তাঁরা। তবে নিয়মে সামান্য ব্যাঘাত ঘটলে আর মেলে না সুফল। এদিন কয়েকটি কাজ থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন। নইলে ক্ষতি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
বিপত্তারিণী পুজোর দিন সকলেই উপবাস করে ব্রত পালন করেন। এদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে নিন। শুদ্ধবস্ত্র পরে নিন। আম্রপল্লব এবং শিসডাব দিয়ে ঘট প্রতিষ্ঠা করুন। ১৩টি গিট বাঁধা লাল রঙের সুতো, ১৩ রকমের ফুল, ১৩ রকমের ফল, ১৩টি দূর্বা, ১৩টি সুপুরি এবং পান দিয়ে পুজো করতে হবে। পুজো শেষে নিরামিষ খাবার খেতে পারেন। সাধারণত ব্রত পালনকারীরা ১৩টি লুচি এবং ১৩ রকমের ফল খেতে হবে। খাওয়ার সময় কারও সঙ্গে কথা বলা উচিত নয়।
এই পুজোর দিন বেশ কয়েকটি কাজ ভুলেও করবেন না। তাতে আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি হতে পারে।
- বিশেষ দিনে কাউকে চিনি দান করবেন না। তাতে শুক্র দুর্বল হয়। আপনার সংসারের শ্রীবৃদ্ধির বদলে বাড়তে পারে অভাব অনটন।
- বিপত্তারিণী পুজোর দিন কাউকে টাকা ধার দেবেন না। তাতে আপনার আর্থিক সমস্যা হতে পারে।
পুজো শেষে সেই বহুকাঙ্ক্ষিত ১৩ গিঁটের লাল সুতো বা ‘ডোর’ ধারণ করা উচিত। নিয়ম অনুযায়ী, মহিলারা বাম হাতে এবং পুরুষরা ডান হাতে এই পবিত্র সুতো বাঁধেন। অন্তত তিন দিন এই ডোর ধারণ করা আবশ্যিক।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দার্জিলিংয়ে জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে ধসে উধাও অর্ধেক রাস্তা! বিপর্যস্ত জনজীবন
-
ডাক্তারিতে ভর্তি করানোর নামে প্রতারণা, ২৫ লক্ষ টাকা হাতাল কাউন্সিলিং সংস্থা!
-
সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের মাথা! চিকিৎসক অভীক দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
-
অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন!
-
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় হাহাকার, তাসের ঘরের মতো ভাঙছে বাড়ি! মৃত অন্তত ১১১