বছরে ৮০ ঘণ্টা কম ঘুমোচ্ছে কলকাতাবাসী, কারণ জানলে চমকে যাবেন
শুধু স্মার্টফোনই নয়, কম ঘুমের নেপথ্য কারণ আরও গভীরে।
যদিও সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে অন্য কথা। শুধু মানসিক চাপ এবং স্মার্টফোনের অত্যধিক ব্যবহার নয়। অনিদ্রার নেপথ্য কারণ নাকি লুকিয়ে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনে। 'ক্লাইমেট সেন্ট্রাল' দেশের ১০৭টি এবং বিশ্বের ১ হাজার ৩৩৮টি শহরের তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। নয়া রিপোর্টে পাওয়া গিয়েছে এমনই তথ্য। যা রীতিমতো তাক লাগানো। সমীক্ষকদের দাবি, রাতের তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বাড়ছে অনিদ্রা।
আরও পড়ুন:
সমীক্ষকদের মতে, কলকাতায় ক্রমশ বাড়ছে দূষণ। এছাড়া গাছ কমে ক্রমশ কংক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হয়েছে তিলোত্তমা। তার ফলে ক্রমশ বাড়ছে রাতের তাপমাত্রা। আর তার সরাসরি প্রভাবে কলকাতার বাসিন্দারা বছরে প্রায় ৮০ ঘণ্টা কম ঘুমোন। হাওড়া, শিলিগুড়ি, বারাকপুর, আসানসোল-দুর্গাপুর এবং হলদিয়ার বাসিন্দারা বছরে ৭৫ ঘণ্টা কম ঘুমোন। যার ফলে জলবায়ু পরিবর্তনে ঘাটতি হতে পারে ৫.৬ ঘণ্টা।
আরও পড়ুন:
তাই সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। ভালো ঘুমের জন্য প্রতিদিন রাত ৮টার মধ্যে নৈশভোজ সেরে ফেলুন। ঘণ্টাদুয়েক পর ঘুমোতে যান। ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভালো করে ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করুন। হালকা সুতির পোশাক পরে ঘুমোতে যান। বিছানায় শুয়ে গল্পের বই পড়তে পারেন। তবে ভুলেও স্মার্টফোন হাতে শোওয়ার ঘরে যাবেন না। দিনে কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোন। তাতেই সুস্থ থাকবে শরীর।