সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৌরজগতের (Solar Storm) যে ক’টি গ্রহকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে অন্যতম বৃহস্পতি (Jupiter)। এবার নাসার (NASA) জুনো মহাকাশযানের সূত্রে মিলল বৃহস্পতির গ্রেট রেড স্টর্ম (Red Spot Storm) সম্পর্কে আশ্চর্য তথ্য। বলা হচ্ছে ওই ঝোড়ো অঞ্চল এতই গভীর যে ১ হাজারটা পৃথিবী নাকি গিলে নিতে পারে ওই এলাকা। বৃহস্পতির আবহাওয়ার এক ত্রিমাত্রিক হিসেব থেকে এমনই দাবি স্পষ্ট হয়েছে।
কী জানাচ্ছেন গবেষকরা? তাঁরা জানিয়েছেন, গ্যাসীয় দৈত্য বৃহস্পতির মেঘের নিচে ২০০ থেকে ৩০০ মাইলের ভিতরে ডুবে রয়েছে গ্রেট রেড স্পট। উল্লেখ্য, বৃহস্পতির বুকে সাড়ে তিন শতক জুড়ে চলছে ভয়ংকর ঝড় (Storm)। আর সেই ঝড়ের গতি প্রতিনিয়তই বাড়ছে। যাকে ঘিরে বিস্ময়ের শেষ নেই বিজ্ঞানীদের। নতুন করে সেই ঝড়কে নজরবন্দি করেছে নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। দেখা যাচ্ছে ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশ বেড়েছে ঝড়ের গতি। যা এখন বাড়তে বাড়তে এসে পৌঁছেছে ৬৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।
[আরও পড়ুন:মহাকাশ বর্জ্যের সঙ্গে ধাক্কা লাগতে পারে ইউরোপীয় যানের! বিপদ এড়াতে সতর্ক বিজ্ঞানীরা]
নাসার এক বিজ্ঞানী মারজিয়া পারিসি জানিয়েছেন, এই রেড স্পট এত বড় যে এক নিঃশ্বাসে গিলে নিতে পারে পৃথিবীকে। কী এই গ্রেট রেড স্টর্ম? একে বলা হয় সৌরজগতের সমস্ত ঝড়ের ‘রাজা’। ২০১৭ সালে বৃহস্পতির খুব কাছে এসেছিল মহাকাশযান জুনো। তখনই দেখা যায়, এই ঝড়ের কেন্দ্র বৃহস্পতির আবহাওয়ায় অন্তত ৩২০ কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর ক্ষেত্রে তা ১৫ কিলোমিটারের বেশি হয় না। এর থেকেই আন্দাজ করা সম্ভব, পৃথিবীর সব ভয়ংকর ঝড়ও এর কাছে কার্যত কিছুই নয়। জুনোর পাঠানো ছবি থেকে পরিষ্কার, গ্রেট রেড স্পট ক্রমেই আকারে বাড়ছে। যত দিন যাচ্ছে ততই আকৃতি বদলেছে সেটি। তাই প্রতিনিয়ত তার দিকে কড়া নজর রাখছে জুনো।
[আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি! পূর্বস্থলীতে টগর গাছে ফুটল জবা ফুল]
সর্বশেষ খবর
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?
-
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?