Doodle

ওজোন স্তরের ছিদ্র দেখে পৃথিবী বাঁচানোর ডাক দেন, গুগলের স্মরণ সেই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীকে

রবিবার ছিল তাঁর ৮০তম জন্মদিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৯, ২০২৩, ১৬:০৩

options
link
ওজোন স্তরের ছিদ্র দেখে পৃথিবী বাঁচানোর ডাক দেন, গুগলের স্মরণ সেই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওজোন স্তরের ছিদ্র খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি। আবিষ্কার করেছিলেন বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ। ডাক দিয়েছিলেন ওজোন স্তরকে (Ozone shield) রক্ষা করে পৃথিবীকে বাঁচানোর। সেই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ড. মারিও মলিনাকে স্মরণ করল গুগল। এদিন গুগল ডুডল (Goole doodle) সেজে উঠল বিশ্ববিশ্রুত রসায়নবিদের থিমে।

Advertisement

১৯৪৩ সালে আজকের দিনেই মেক্সিকোয় জন্মগ্রহণ করেন মলিনা। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন বিজ্ঞানের অনুরক্ত। নিজের খেলনা মাইক্রোস্কোপে আণুবীক্ষণিক প্রাণীদের দেখে পেতেন সবচেয়ে বেশি আনন্দ। নিজের শৌচাগারকে পরিণত করে ফেলেছিলেন আস্ত গবেষণাগারে। পরবর্তী সময়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হওয়ার পর আরও কিছু ডিগ্রি লাভ করে তিনি পৌঁছে যান আমেরিকা। শুরু করেন গবেষণা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আসানসোল কম্বল কাণ্ড: আদালতে নিজেই সওয়াল জিতেন্দ্রর, ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ বিচারকের]

পৃথিবীর আবহাওয়ামণ্ডলে রাসায়নিকের প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছিলেন তিনি। ১৯৯৫ সালে তিনি রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান। রসায়ন কীভাবে ওজোন স্তরে ছিদ্র করছে, তা নিয়ে শীর্ষস্থানীয় গবেষকদের অন্যতম ছিলেন মলিনা। প্রসঙ্গত, ওজোন স্তরের ছিদ্র দিয়েই ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি প্রবেশ করে পৃথিবীতে। এর ফলেই বিশ্ব উষ্ণায়নের কবলে পড়েছে পৃথিবী। ওজোন স্তরের ছিদ্র আবিষ্কার করেই নোবেল পান মলিনা। এদিকে ক্লোরোফ্লুরোকার্বনের জন্য পৃথিবী কীভাবে দূষিত হচ্ছে সেই নিয়েও গবেষণা করেছেন তিনি। পৃথিবীকে বাঁচাতে ওজোন স্তরকে রক্ষায় দেশগুলিকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মামাতো ভাইয়ের শিক্ষকতার ‘অবৈধ’ চাকরি! ফাঁস করে দিতে চাইতেই কি সপরিবারে খুন দুর্গাপুরের যুবক?]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.