সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবস। তার ঠিক আগে শনিবার মহাকাশেও দেখা যাবে ‘প্যারেড’! মহাকাশপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন তা দেখতে। আসলে আজ, শনিবার সন্ধের আকাশে পরপর দেখা যাবে ৬টি গ্রহকে। সৌরমণ্ডলের এই হাফডজন সদস্যকে একসারিতে দেখতে পাওয়া এক মহাজাগতিক বিরল অভিজ্ঞতা। বৃহস্পতি-মঙ্গল-শুক্র-শনি-নেপচুন-ইউরেনাসকে একসঙ্গে দেখতে পাওয়ার জন্য তাই প্রহর গুনছেন মহাকাশপ্রেমীরা। আর এই প্রদর্শনীকে বলা হয় ‘প্ল্যানেটরি প্যারেড’।
কখন দেখা যাবে?
নাসা জানাচ্ছে, সবচেয়ে ভালোভাবে এই দৃশ্যটি দেখা যাবে সূর্যাস্তের ৪৫ মিনিট পরে। তবে এর মধ্যে চারটি গ্রহ বৃহস্পতি-মঙ্গল-শুক্র-শনিকে দেখা যাবে খালি চোখেই। বাকি দুই গ্রহ নেপচুন ও ইউরেনাসকে দূষণমুক্ত আকাশে দেখা যাবে খানিক হালকা অবয়বে। কিন্তু ছোটখাটো টেলিস্কোপে সব কটিকেই দেখা যাবে। পরে অন্ধকার ঘন হলে দক্ষিণপশ্চিমে শুক্র ও শনিকে দেখা যাবে। বৃহস্পতি জ্বলজ্বল করবে মাথার উপরে। আর পূর্বদিকে দেখা যাবে ‘মহাকাশের লাল লণ্ঠন’ মঙ্গলগ্রহকে। সব মিলিয়ে পরবর্তী ঘণ্টা তিনেক গ্রহগুলিকে দেখা যাবে। পরে শুক্র ও শনি দিগন্তের নিচের দিকে নেমে গেলে আর তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে না। এই সব কটি গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল চেহারায় দেখা দেবে শুক্রকে।
দেখা যাবে ভারত থেকেও
দেশের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই এই ‘প্ল্যানেটরি প্যারেড’ দেখা যাবে। বেশির ভাগ শহরের আকাশেই দৃশ্যমান হবে গ্রহের সারি।
কেন বিরল
আসলে রাতের আকাশে চোখ রাখলেই সৌরজগতের সদস্যদের একসারিতে দেখা যায়। কিন্তু একসঙ্গে চারটির বেশি গ্রহকে দেখতে পাওয়ার অভিজ্ঞতা কিন্তু রোজ হয় না। আর সেই কারণেই এই দৃশ্য দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন মহাকাশপ্রেমীরা। গত ১৪ জানুয়ারি রাতের আকাশে দেখা গিয়েছিল ‘নেকড়ে চাঁদ’কে। বছরের প্রথম পূর্ণিমা ছিল সেদিনই। পরদিন অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি সূর্যাস্তের পরে পূর্ব আকাশে খালি চোখেই দেখা যায় ঝকঝকে মঙ্গলগ্রহকে। কিন্তু এদিনের মহাজাগতিক সৌন্দর্যকে ঘিরে আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। এমন সুযোগ যে বারবার আসে না!
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী