আজব মাছের দেখা মিলল অসমে। আরও অবাক করা বিষয় হল, মাটির অনেক গভীরে কুয়োর মধ্যে খোঁজ মেলা এই মাছের সঙ্গে নাকি মিল রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মাছের। অসমের গোয়ালপাড়া জেলায় নজরে আসা এই মাছকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ‘গিটচাক নাকানা’ নামে দৃষ্টিশক্তিহীন ভূতুড়ে এই মাছকে নিয়ে বিস্ময়ের অন্ত নেই।
আরও পড়ুন:
গবেষকদের মতে, এই মাছটির গঠন ও বাসস্থান অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। জানা যাচ্ছে, কুয়ো খননের সময় জল পাম্প করে তুলতে গিয়ে ওই মাছের খোঁজ মেলে। মাত্র ২০ মিলিমিটার দীর্ঘ মাছটির ত্বক স্বচ্ছ এবং তার শরীরের ভিতরের সব অঙ্গই বাইরে থেকে দৃশ্যমান। তবে কোনও হাড়ের গড়নে তার মাথাটিও ঢাকা নেই। শুধু স্বচ্ছ ত্বকে ঢাকা মাছটির মস্তিষ্ক। ‘গিটচাক নাকানা’ মাছটির গায়ের কিছু অংশ রক্তের মতো লাল। মাছটির নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মাছটির বৈশিষ্ট। গারো ভাষায়, ‘গিটচাক’ শব্দের অর্থ লাল এবং ‘নাকানা’র অর্থ অন্ধ।
মাত্র ২০ মিলিমিটার দীর্ঘ মাছটির ত্বক স্বচ্ছ এবং তার শরীরের ভিতরের সব অঙ্গই বাইরে থেকে দৃশ্যমান। তবে কোনও হাড়ের গড়নে তার মাথাটিও ঢাকা নেই। শুধু স্বচ্ছ ত্বকে ঢাকা মাছটির মস্তিষ্ক।
জার্মানির সেনকেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, অসমের ডন বসকো বিশ্ববিদ্যালয় ও মণিপুরের ধনমঞ্জুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথ ভাবে ওই মাছটি নিয়ে গবেষণা চালান। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আলোহীন পরিবেশে অভিযোজিত হওয়ার ফলে এদের দৃষ্টিশক্তি ও গায়ের রং বিলুপ্ত হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ও বনমন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি এই সাফল্যের জন্য গবেষক দলকে অভিনন্দন জানান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘আমরা আসছি’, ভারত সফরের আগে সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা ব্রাজিল দলের
-
প্রোমোটারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ! কনস্টেবলকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখা
-
বাংলার পর অসমের মামলাতেও জামিন, ১৩ বছর পর বিরাট স্বস্তিতে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর