Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
India UAE OPEC

ওপেকের ভাঙনে ভারতের ফায়দা! হরমুজের বাধা উড়িয়েই আসবে তেল, নেপথ্যে কোন কৌশল?

'ওপেক' ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওপেক থেকে যে পরিমাণ তেল রপ্তানি হত সেটার ১২ শতাংশ আসত সৌদি আরব থেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৬:৫২

options
link
ওপেকের ভাঙনে ভারতের ফায়দা! হরমুজের বাধা উড়িয়েই আসবে তেল, নেপথ্যে কোন কৌশল? zoom
সাময়িকভাবে সমস্যা হলেও ওপেকের 'ভাঙনে' আখেরে লাভ হবে ভারতের। প্রতীকী ছবি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আমজনতার মনে সংশয় দেখা দিয়েছে, আদৌ পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি মিলবে কিনা। এহেন পরিস্থিতিতে ‘ওপেক’ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তারপর থেকেই আশঙ্কা বাড়ছে ভারতের তেলের বাজার নিয়ে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওপেক থেকে যে পরিমাণ তেল রপ্তানি হত সেটার ১২ শতাংশ আসত সৌদি আরব থেকে। সেই জোগান কমে গেলে তেলের বাজারে চাপ বাড়বে। প্রভাব পড়বে ভারতের উপরেও।

বুধবার আবু ধাবির তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন সম্প্রসারণের উপর মনোযোগ দিতে এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে একটি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে জ্বালানি খাতে দ্রুত বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার প্রচেষ্টা চলছে। এই সিদ্ধান্ত সেই প্রচেষ্টারই অংশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমিরশাহীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মাধ্যম তেল আমদানি করতে পারে ভারত। হরমুজ প্রণালীকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই তেল আমদানি করা যাবে। ওপেক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তেল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে পারে আমিরশাহী।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ এবং তার জেরে হরমুজ প্রণালী অবরোধ-এই দুই কারণে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে হুহু করে বাড়ছে তেলের দাম। ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে। আগামী দিনে সেই অঙ্কটা উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এহেন পরিস্থিতিতে আমিরশাহীর এই সিদ্ধান্তে জ্বালানি সংকট আরও প্রবল হতে পারে। ভারত যেহেতু প্রয়োজনের অন্তত ৮০ শতাংশ তেল আমদানি করে, তাই আমিরশাহীর এই পদক্ষেপে ভারতের সমস্যা বাড়তে পারে। চড়া দামে তেল কিনতে হতে পারে ভারতীয় শোধনাগারগুলিতে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেটা ভারতের পক্ষে বেশ সমস্যার।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি নয়। সাময়িকভাবে চড়া দামে তেল কেনায় ভোগান্তি বাড়তে পারে। তবে তার পরে আমিরশাহীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মাধ্যম তেল আমদানি করতে পারে ভারত। হরমুজ প্রণালীকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই তেল আমদানি করা যাবে। ওপেক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তেল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে পারে আমিরশাহী। সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সেই তেল ভারতের কাছে বিক্রিও করতে পারে। সাময়িকভাবে সমস্যা হলেও ওপেকের ‘ভাঙনে’ আখেরে লাভ হবে ভারতের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.