Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

লেবানন নিয়ে ইজরায়েল-ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা, ‘আমরা শান্তির দোরগোড়ায়’, বার্তা ট্রাম্পের

দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আমাদের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে আলোচনাই এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত পথ। তবে ইরানে জন্য সম্মানজনক সমোঝোতা হতে হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ২৩:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ২৩:০৫

options
link
লেবানন নিয়ে ইজরায়েল-ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা, ‘আমরা শান্তির দোরগোড়ায়’, বার্তা ট্রাম্পের zoom
শান্তিচুক্তির পথ প্রশস্ত হচ্ছে, দাবি একাধিক সূত্রে।

অতীত হবে বারুদ-রক্ত-মৃত্যু। অবশেষে যুদ্ধের মেঘ কাটছে মধ্যপ্রাচ্যে। সাড়ে তিন মাসের ধুন্ধুমার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবার মরিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে যেমন তিনি বন্ধু ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, শান্তির দোরগোড়ায় আমরা। কোনওভাবে আর হামলা চালানো যাবে না ইরান কিংবা লেবাননে। অপরপক্ষে ইরানকেও তিনি লেবাননে হামলার পালটা জবাব দিতে বারণ করবেন বলেও নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ইজরায়েলের শেষ হামলা নতুন ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ১৬। ২ মার্চ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৩৭৮৩। এই সময় আহত হয়েছেন ১১,৬৯৯ জন। যদিও ট্রাম্পের মতোই শান্তির পথের বার্তা দিয়েছে ইরানও। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আমাদের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে আলোচনাই এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত পথ। তবে ইরানে জন্য সম্মানজনক সমোঝোতা হতে হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, শান্তিচুক্তির পথ প্রশস্ত হচ্ছে। একধিক বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে দুই দেশ। পারমাণবিক চুক্তি, বাজেয়াপ্ত সম্পদে ছাড় এমনকী ইরানের উপর এত বছর ধরে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করে নেবে আমেরিকা। ইরানের এক সরকারি আধিকারিকের উদ্ধৃতি তুলে ধরে রয়টর্সের তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতার খসড়া প্রায় প্রস্তুত। এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালাবে আমেরিকা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে।

আপাতত একটি চুক্তি সই করার পর, বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষ ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সই করবে। ইরানি আধিকারিকের মতে, খসড়া চুক্তিতে মূলত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তা হল, হরমুজ উন্মুক্ত করা, ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং পারমাণবিক কর্মসূচি।

দাবি করা হয়েছে, চুক্তির ভিত্তিতে হরমুজকে পুরোপুরি মুক্ত করা হবে। ইরান এই প্রণালী খুলে দেবে, অন্যদিকে আমেরিকাও অবরোধ তুলবে। এই পথে স্বাধীন নৌচলাচলে একমত হয়েছে দুই দেশ। দ্বিতীয় শর্তে আমেরিকা ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। নতুন করে কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না ইরানের উপর। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি করতে পারবে ইরান। একইসঙ্গে আমেরিকা ইরানের যে ২৫ বিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করেছে তা ফেরত দেবে।

বিনিময়ে ইরানকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে তারা পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না। কোনওভবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করবে না। নতুন করে সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করা যাবে না। তবে আমেরিকা ইরানকে শান্তিপূর্ণ অসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিকে স্বীকৃতি দেবে। এবং পরমাণু নজরদারি সংস্থা আইএইএ-র সঙ্গে মিলে ইরানকে সাহায্য করবে।

প্রাথমিক খসড়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নতির বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, চুক্তির পর ইরান ভিনদেশে ছড়িয়ে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবে। ভবিষ্যতে উভয় দেশ বাণিজ্য, জ্বালানি এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টিও বিবেচনা করবে।

এই ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের দাবি, চুক্তি সম্পন্ন হলে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা শান্ত হবে। রবিবার চুক্তি সই হবে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও শোনা যাচ্ছে, আমেরিকার তার মিত্রশক্তিদের (সৌদি আরব, ইজরায়েল) সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে। আমেরিকা ও ইরান এখনও সরকারিভাবে এই খসড়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.