মহাকাশ পর্যটনে এবার একচেটিয়া দরজা খুলে যাচ্ছে ধনকুবের মার্কিনী এলন মাস্কের সামনে! তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক মার্কিন শিল্পপতি, আমাজন কর্তা জেফ বেজোস আপাতত পর্যটন থেকে নিজের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। সংস্থার সিদ্ধান্ত, আপাতত ২ বছর তারা মহাকাশ পর্যটনের জন্য খরচ করবে না, সেই অর্থ নাসারা চন্দ্রাভিযানে দেওয়া হবে। ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসায় সরকারি অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার পর বেজোসের সংস্থাই এভাবে সাহায্য করতে উদ্যোগী হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ব্লু অরিজিন মূলত পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান তৈরি করবে। যার সাহায্যে মহাকাশে পর্যটন অনেক সহজ ও তুলনায় কম ব্যয়সাপেক্ষ হবে।
আরও পড়ুন:

বিষয়টা ঠিক কী? আসলে মহাকাশ গবেষণার কাজ এতটাই এগিয়েছে যে এই মুহূর্তে শুধু নভশ্চর নয়, সাধারণ মানুষজনকে মহাশূন্যে নিয়ে গিয়ে সেই অনুভূতি দেওয়ার প্রয়াস শুরু করেছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এলন মাস্কের স্পেস এক্স, জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন। এরাই মূলত মহাকাশের যুযুধান প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু এবার মাস্ক একাই মহাকাশ পর্যটনে রাজত্বের সুযোগ পাচ্ছেন। কারণ, বেজোসের সংস্থা এবার নিজেদের অর্থ দিয়ে নাসার অসমাপ্ত অভিযানে সাহায্য করবে। জানা গিয়েছে, নিউ শেফার্ড নামে একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান তৈরি করবে ব্লু অরিজিন। যা অন্তত ৩৮ বার ব্যবহার করা যাবে, ৯৮ জনকে নিয়ে মহাশূন্যে যাতায়াত করতে পারবে। এমন রকেট এই প্রথম, এর আগে কেউ তৈরি করেনি। লক্ষ্য একটাই, চাঁদের মাটিতে নভশ্চর-সহ যান পাঠানো, সেখানে দুশোর বেশি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা।
জানা গিয়েছে, নিউ শেফার্ড নামে একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান তৈরি করবে ব্লু অরিজিন। যা অন্তত ৩৮ বার ব্যবহার করা যাবে, ৯৮ জনকে নিয়ে মহাশূন্যে যাতায়াত করতে পারবে। এমন রকেট এই প্রথম, এর আগে কেউ তৈরি করেনি। লক্ষ্য একটাই, চাঁদের মাটিতে নভশ্চর-সহ যান পাঠানো, সেখানে দুশোর বেশি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা।নিউ শেফার্ড নিয়ে নাসার সঙ্গে ৩৪০০ কোটির চুক্তি হয়েছে বেজোসের সংস্থার।
নিউ শেফার্ড নিয়ে নাসার সঙ্গে ৩৪০০ কোটির চুক্তি হয়েছে বেজোসের সংস্থার। এই রকেট কাজে লাগানো হবে নাসার ‘আর্টেমিস ফাইভ’ অভিযানে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। নাসার এই অভিযানটিই মাঝপথে স্থগিত হয়ে গিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের কোপে পড়ে। ব্লু অরিজিন আর নাসার যৌথ প্রকল্পে মহাকাশ পর্যটনের খরচ সম্পর্কে অল্পবিস্তর ধারণাও পাওয়া গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, নিউ শেফার্ডে একেবারে ৯৮ জন যাত্রী ধারণের ক্ষমতা রয়েছে। মহাশূন্যে একবার গিয়ে ফেরার খরচ পড়বে মোটামোটি ১০ লক্ষ ডলার। তবে গোটা বিষয়টি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তার আগে পর্যন্ত মাস্কের স্পেস এক্স এ যাত্রায় এগিয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বর্ষায় গোয়ায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে ‘মাইক্রোকেশন’, পর্যটনের নয়া ধারায় গা ভাসাবেন নাকি?
-
ডাক্তারির মাঝেই জাতীয় স্তরে বিরাট লাফ বঙ্গকন্যার! চিনে নিন বিজেপির ‘নবীন টিমে’র মধুছন্দাকে
-
কপিলকে ছুঁয়ে নজির জাদেজার, স্পিন অস্ত্রে বিরাট লিডেও শ্রীলঙ্কায় টেস্টজয়ে ভারতের কাঁটা বৃষ্টি!
-
‘ইন্ডাস্ট্রির দালাল, মেয়েদের ক্লায়েন্ট দেয়’, স্যান্ডি সাহাকে নিয়ে বিস্ফোরক ‘মা’ খ্যাত তিথি
-
বৃষ্টিতে ভিজে অফিসের এসির নিচে বসেছেন? ব্যাগে এই জিনিসগুলো না থাকলেই বাঁধবে অসুখ