Artificial Cells

খাওয়া দাওয়া থেকে বংশবৃদ্ধি! বিশেষ কৃত্রিম কোষ বানিয়ে চমক বিজ্ঞানীদের

তবে সাধারণভাবে এদের জীবন্ত কোষের সঙ্গে তুলনা করলেও বিজ্ঞানীরা পুরোপুরিভাবে এদের 'জীবন্ত' বলতে রাজি নন। কারণ এই কৃত্রিম কোষগুলি বাইরে থেকে সরবরাহ করা পুষ্টিপদার্থের উপর নির্ভরশীল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৫:৫৮

options
link
খাওয়া দাওয়া থেকে বংশবৃদ্ধি! বিশেষ কৃত্রিম কোষ বানিয়ে চমক বিজ্ঞানীদের
প্রতীকী ছবি।

এমনিতে প্রাণহীন। সিন্থেটিক সেল তথা কৃত্রিম কোষ। কিন্তু বিজ্ঞান তথা প্রযুক্তির উদ্ভাবনী কামাল এমনই যে, স্বাভাবিক-সহজাত, একটি জীবন্ত কোষের যা যা বৈশিষ্ট্য-তার সবই রয়েছে তার। এগুলি বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কোষ যা জীবিত কোষের মতো বেড়ে উঠতে পারে, খাদ্য গ্রহণ করতে পারে এবং বংশবৃদ্ধিও করতে পারে। মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই ধরনের কোষ সৃষ্টি করেছেন, যা বায়োলজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং তথা জৈব বিজ্ঞানের জগতে এক যুগান্তকারী ঘটনা। ‘স্পাডসেল’ নামে একটি প্রোজেক্টের আওতায় হয়েছে যাবতীয় গবেষণা। প্রাণহীন কোনও কিছু থেকে প্রাণময় কিছুর সৃষ্টিই ছিল যার উদ্দেশ্য। বিজ্ঞানীদের তৈরি করা কৃত্রিম কোষসমূহকে ‘স্পাড সেলস’ নামই দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই গবেষণার নেপথ্যে থাকা বিজ্ঞানীদলের প্রধান, কেট আডামালা জানিয়েছেন, “কোষের গতিবিধি সংক্রান্ত গবেষণা- এতদিন যা সীমাবদ্ধ ছিল শুধুমাত্র জীববিদ্যার পরিসরে, আমরা তাকে রসায়নের গণ্ডির মধ্যে নিয়ে এসেছি। এতে প্রমাণ হয় যে, জীবিত কোনও কিছুর মৌলিক কয়েকটি বৈশিষ্ট্য যেমন বেড়ে ওঠা বা বংশবৃদ্ধি করা- তার জন্য কোনও জাদুবলের প্রয়োজন হয় না।” জানা গিয়েছে, এই স্পাড সেলগুলি মূলত চর্বি বা লিপিড দিয়ে তৈরি হয়েছে। ভিতরে থাকে প্রোটিন, রাইবোজোম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে সাধারণভাবে এদের জীবন্ত কোষের সঙ্গে তুলনা করলেও বিজ্ঞানীরা পুরোপুরিভাবে এদের ‘জীবন্ত’ বলতে রাজি নন। কারণ এই কৃত্রিম কোষগুলি বাইরে থেকে সরবরাহ করা পুষ্টিপদার্থের উপর নির্ভরশীল। এর উপর ভিত্তি করেই এরা প্রোটিন উৎপাদন করে। পাশাপাশি এই কোষগুলির আত্মরক্ষা করার কৌশলও জানা নেই। আরও জানা নেই, স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য অতি জরুরি, দূষিত বা বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াও। ফারাক আরও আছে। হিউম্যান জিনোমের যেখানে রয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন কিলোবেস পেয়ারস (কেবিপি), সেখানে স্পাড সেলের জিনোম আকারে মাত্র ৯০ কেবিপি।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.