ওলিম্পিক

ই-বর্জ্য থেকেই তৈরি হচ্ছে টোকিও অলিম্পিকের পদক

অলিম্পিকে ৫ হাজার পদক লাগবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১১:০৯

options
link
ই-বর্জ্য থেকেই তৈরি হচ্ছে টোকিও অলিম্পিকের পদক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবেশ রক্ষায় অভিনব পদক্ষেপ উদ্যোগ টোকিও অলিম্পিক সংগঠক কমিটির। এবার ‘Electronic waste’ বা ই-বর্জ্য থেকে ধাতু নিষ্কাশন করে তা থেকে তৈরি সোনা-রুপোর মেডেলই তুলে দেওয়া হবে জয়ী খেলোয়াড়দের হাতে।

Advertisement

২০২০ সালের ২৪ জুলাই থেকে জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। দেশ-বিদেশের খেলোয়াড়রা নামবেন পদকের লড়াইয়ে। সেইসব খেলায় যাঁরা প্রথম তিনটি স্থান দখল করবেন, তাঁদের সোনা, রুপো এবং ব্রোঞ্জের পদক দেওয়া হবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে ৫ হাজার পদক লাগবে। কিন্তু, সোনা, রুপো এবং ব্রোঞ্জ দিয়ে ওই বিপুল সংখ্যক মেডেল তৈরি করার খরচ অনেক বেশি। তাই ২০১৭ সালে উদ্যোক্তারা পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, বৈদ্যুতিন বর্জ‌্য থেকেই মেডেল তৈরির সোনা-রুপো সংগ্রহ করা হবে। এর ফলে মেডেল তৈরির খরচও কমানো যাচ্ছে এবং পরিবেশ-বান্ধব প্রকল্প হিসেবে ই-বর্জ্যেরও সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৭ সালের প্রথম দিকেই ‘টোকিও ২০২০ মেডেল প্রকল্প’ চালু করা হয়। সেখানে দেশের জনগণের কাছে আবেদন করা হয়, তাঁদের ব্যবহৃত এবং পরে বাতিল হওয়া ছোট ছোট বৈদ্যুতিন সামগ্রীগুলি অলিম্পিক উদ্যোক্তাদের দিয়ে দিতে। ২০১৭ সালে ১ এপ্রিল থেকে এই ই-বর্জ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়েছিল। মূলত মোবাইল ফোনকেই বেছে নেওয়া হয় এই প্রকল্পের আওতায়। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাপানের সাধারণ মানুষ বিপুল আগ্রহ নিয়ে এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ১৬২১টি পুরসভার মাধ্যমে এই ই-বর্জ্যগুলি সংগ্রহ করা হয়। পুরসভাগুলি বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে নগরবাসীর কাছ থেকে তা সংগ্রহ করে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন জায়গায় এই বর্জ্য সংগ্রহের জন্য বিশেষ ডাস্টবিনও তৈরি করা হয়েছিল। সেখান থেকেও প্রচুর ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। একইসঙ্গে একটি বেসরকারি মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থাকে এই কাজে নিযুক্ত করা হয়।

Advertisement

অলিম্পিক কমিটি জানিয়েছে,  চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৯৮৫ টন ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এছাড়াও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন আউটলেটের মাধ্যমে ৬২ লক্ষ ১০ হাজার মোবাইল সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন এই সমস্ত ই-বর্জ্য থেকে সোনা, রুপো এবং ব্রোঞ্জ সংগ্রহ করা হবে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী তৈরিতে এই সমস্ত পদার্থগুলি খুব সামান্য পরিমাণ হলেও ব্যবহার হয়ে থাকে। সেগুলিই সংগ্রহ করা শুরু হয়। ইতিমধ্যে সেই কাজ প্রায় শেষের পথে। সব মিলিয়ে ওই পরিমাণ বর্জ্য থেকে ৩২ কেজি সোনা, ৩৫০০ কেজি রুপো এবং ২২০০ কেজি ব্রোঞ্জ উদ্ধার করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: খতম বাগদাদি, এবার ইসলামিক স্টেটের রাশ ধরল কুখ্যাত জঙ্গি ‘দ্য প্রফেসর’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.