Mohun Bagan Vs East Bengal

রিকির জোড়া গোল, ছোটদের ডার্বিতে মোহনবাগানকে হারিয়ে কোচকে কৃতিত্ব ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার

রবিবার রিলায়েন্সের ফাউন্ডেশন ডেভলপমেন্ট লিগের ডার্বিতে মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। সেই ম্যাচে মোহনবাগানকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৯:১১

options
link
রিকির জোড়া গোল, ছোটদের ডার্বিতে মোহনবাগানকে হারিয়ে কোচকে কৃতিত্ব ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার
মণিপুরী তারকা রিকি সিং। ছবি ইস্টবেঙ্গল।

মণিপুরী ফুটবলার রিকি সিংয়ের জোড়া গোলে নৈহাটিতে মশাল জ্বলল। রবিবার রিলায়েন্সের ফাউন্ডেশন ডেভলপমেন্ট লিগের ডার্বিতে মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। সেই ম্যাচে মোহনবাগানকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। মধুর এই জয়ের পর উচ্ছ্বসিত লাল-হলুদ শিবির। কী বললেন ডার্বিজয়ের নায়ক? 

Advertisement

ডার্বিতে নামার আগে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ পর্বে নিজেদের ম্যাচে জিতেছিল। মোহনবাগান ২-০ গোলে জয় তুলে নিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার এফসি’র বিরুদ্ধে। সেখানে ডার্বিতে নামার আগে ইস্টবেঙ্গল জেতে বেঙ্গল ফিউচার চ্যাম্পসের বিরুদ্ধে। তবে টানা চারটে ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা মোহনবাগান হার মানল মশাল বাহিনীর কাছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে এদিন ম্যাচ দেখতে হাজির হয়েছিলেন মোহনবাগান কোচ সের্জিও লোবেরা। ডেভেলপমেন্ট লিগের প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ফলাফলে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খেলায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল। ৪৬ মিনিটে গুণরাজের শট রিফ্লেক্টেড হয়ে গোল পান রিকি। এরপর খেলায় ফেরার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। ৫৪ মিনিটে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি থাংজাম রোশন সিং। ৬৭ মিনিটে নিয়েছিলেন পাসাং দর্জি তামাংয়ের দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট।

Advertisement

৭৫ মিনিটে সুহেল আহমেদ ভাটের হেড বিপন্মুক্ত করেন লাল-হলুদ গোলকিপার। ৮২ মিনিটে রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন গুইতে। দশজনে হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এই সুযোগ অবশ্য কাজে লাগাতে পারেনি সবুজ-মেরুন। খেলার গতির বিরুদ্ধে গিয়ে ৯৪ মিনিটে ফের গোল রিকির। শেষ পর্যন্ত ২-০ জিতে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল।

জোড়া গোল করে ডার্বির নায়ক রিকি সিং কৃতিত্ব দিচ্ছেন কোচকে। মণিপুরের কাশীপুর অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলার বলছেন, “মোহনবাগানকে হারিয়ে খুব ভালো লাগছে। কোচ বলেছিল, মাঠে গিয়ে একশো শতাংশ দাও। সেই মতো চেষ্টা করেছি। একটা গোল করব এই আত্মবিশ্বাস ছিল।” জানা গেল তাঁর বাবা পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। আর তাঁর ফেভারিট ফুটবলার মোহনবাগানী, সাহাল আবদুল সামাদ।

ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাসও কৃতিত্ব দিয়েছেন রিকিকে। “তাঁর জোড়া গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিল। গত তিন ম্যাচেই ও ভালো খেলেছে। এদিন ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে প্রথম গোল করল। ও আরও বড় হোক।” বলে দিচ্ছেন তিনি। তাছাড়াও টিমগেমকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন অর্চিষ্মান। তবে জয় পেয়েও উচ্ছ্বসিত নন লাল-হলুদ কোচ। তাঁর কথায়, “প্রথমার্ধে দুই দলই ভালো খেলতে পারেনি। পরপর খেলা। এরজন্য ক্লান্তি অনেকটাই দায়ী। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ভালো খেলেছি। আরও ভালো খেলতে পারতাম।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন