সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া। দেশকে কোপা আমেরিকা জেতানোর পর চোখের জলে ভেসেছেন তিনি। গোটা দেশের কাছে তিনি এখন বন্দিত নায়ক। কিন্তু সেই দি মারিয়াই (Angel Di Maria) হুমকি পেলেন। তাও নিজের দেশ আর্জেন্টিনা থেকেই। যে কারণে নিজের শহর রোজারিওর ক্লাবে ফিরতে পারছেন না তিনি।
গত বছর তিনি খেলেছেন পর্তুগালের ক্লাব বেনফিকায়। কিন্তু এবার ইচ্ছে ছিল নিজের ছোটবেলার দল রোজারিও সেন্ট্রালে ফিরে আসার। সেখানেই কেরিয়ার শেষ করতে চেয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি। যদিও সেটা আর হচ্ছে না। রোজারিওর ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। কারণ তাঁর পরিবারের সদস্যদের লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে একটি দুষ্কৃতি দল থেকে।
[আরও পড়ুন: আরও দুবছর সবুজ-মেরুনে সোনার বল জয়ী পেত্রাতোস, সই করে বললেন, ‘জয় মোহনবাগান’]
সম্প্রতি একটি বার্তা পেয়েছেন তিনি। যেখানে বলা হয়েছে দি মারিয়া যদি রোজারিওয় খেলতে আসেন তাহলে তাঁর পরিবারের ক্ষতি করা হবে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, “আমার বোনকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একটা বাক্স পাঠানো হয়েছে যেখানে শূকরের মাথায় বুলেট গাঁথা রয়েছে। তার সঙ্গে একটা বার্তায় বলা হয়েছে, যদি আমি রোজারিওর ক্লাবে ফিরি, তাহলে আমার মেয়ের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটবে।”
[আরও পড়ুন: আর্থিক ক্ষতি কমল আইএফএ’র, সব ক্লাবের ভোটাধিকার চেয়ে মামলা হাই কোর্টে]
তাঁর সংযোজন, “আমি এভাবে রোজারিওয় ফিরব না। বিষয়টার সঙ্গে আমার পরিবার জড়িয়ে গিয়েছে। কোনও মূল্যেই আমি রোজারিও সেন্ট্রালে ফিরছি না।” তাঁর কাছে যে পরিবারের নিরাপত্তা সবার আগে, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন দি মারিয়া। উল্লেখ্য, ২০০৫-২০০৭ মরশুমে এই ক্লাবের হয়েই পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেন। সেখান থেকে বেনফিকায় খেলতে আসেন। নিজের কেরিয়ার সেই পথেই শেষ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়াল দুর্বৃত্তদের হুমকি।
সর্বশেষ খবর
-
‘এটা তো হওয়ারই ছিল’, হলিউডে সুযোগ পেয়েই কেন এমন বললেন বঙ্গতনয়া সায়নী?
-
পরকীয়ায় বাধা, প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়ে সন্তানদের সামনেই স্ত্রীকে খুন! হাড়হিম কাণ্ড ভরতপুরে
-
প্রতি আধঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু! কঙ্গোয় আরও মারাত্মক ইবোলা সংক্রমণ, প্রাণীদেহ থেকে ছড়াচ্ছে রোগ
-
কর্নাটকে নিষিদ্ধ হবে আরএসএস? সংঘকে চ্যালেঞ্জ করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য প্রিয়াঙ্ক খাড়গের
-
‘মুভি মাফিয়া’দের চ্যালেঞ্জ! অশ্লীল গান গাওয়ার বিরোধিতা, অভিজ্ঞতা ভাগ কুমার শানুর