Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
RSS freedom struggle

কর্নাটকে নিষিদ্ধ হবে আরএসএস? সংঘকে চ্যালেঞ্জ করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য প্রিয়াঙ্ক খাড়গের

আরএসএসকে কি কর্নাটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ২১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ২১:২২

options
link
কর্নাটকে নিষিদ্ধ হবে আরএসএস? সংঘকে চ্যালেঞ্জ করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য প্রিয়াঙ্ক খাড়গের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কর্নাটকে আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার জল্পনার মধ্যেই সংঘ পরিবারকে ফের চ্যালেঞ্জ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ছেলে তথা কর্নাটকের পুলিশমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের। তিনি স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়েই সংঘ নেতাদের চ্যালেঞ্জের সুরে বলে গেলেন, স্বাধীনতার লড়াইয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন এমন ৫০ জন সংঘ নেতার তালিকা দিন! আমি অন্তত ৫০০ জন শহিদ কংগ্রেস নেতার তালিকা দেব।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ অর্থাৎ আরএসএসের কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকে। সেই আবহে সংঘ পরিবারকে চ্যালেঞ্জ করে প্রিয়াঙ্কের বক্তব্য, ‘দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএস ঠিক কী ভূমিকা পালন করেছে? আপনারা কোন স্বাধীনতার লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন?’ খাড়গের চ্যালেঞ্জ, “আমি কংগ্রেসের অন্তত ৫০০ জন নেতার তালিকা দিতে পারব যাঁরা দেশের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আরএসএস এমন ৫০ জন শহিদের নাম বলতে পারবে?”

Advertisement

স্বাধীনতা সংগ্রামে যাঁদের ভূমিকা নেই বলে দাবি করছেন খাড়গে সেই আরএসএসকে কি কর্নাটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে? খাড়গের ইঙ্গিত, তিনি চাইলেও সংঘ পরিবারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবেন না। কারণ আরএসএসের কোনও রেজিস্ট্রেশনই নেই। তিনি বলেন, ‘ওদের ব্যান করা যাবে না। কারণ একটাই, ওদের তো আইনি রেজিস্ট্রেশনেই নেই। আমি যদি আপনার সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে চাই তাহলে তো আগে ওদের রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।’

তবে সরাসরি আরএসএসকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব না হলেও কংগ্রেস সভাপতির পুত্র ঘুরপথে কর্নাটকে সংঘের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার একটি বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন। কর্নাটকে সরকারি সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ নামের নয়া একটি বিল আনছে কংগ্রেস সরকার। ওই বিলে বলা হয়েছে, যে সমস্ত সংস্থার রেজিস্ট্রেশন নেই, সেইসব সংস্থা জনসমক্ষে কিংবা সরকারি জমিতে নিজেদের কোনও কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। জনসমক্ষে যে কোনও ধরনের জমায়েতের জন্য পূর্ব অনুমতি লাগবে। কোনও স্কুল-কলেজ বা সরকারি সম্পত্তিতে কোনওরকম বেসরকারি সংস্থা বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অনুমতি ছাড়া কার্যকলাপ করতে পাারবে না। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, মূলত আরএএসএসের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই বিল আনছে কর্নাটক সরকার। সচরাচর আরএসএসের শাখা সরকারি স্কুল-কলেজ বা মন্দির চত্বরে চলে। স্বয়ংসেবকদের শরীরচর্চা বা অন্য কর্মসূচির জন্যও সরকারি সম্পত্তি ব্যবহৃত হয়। সে সব বন্ধ করে দিতেই এই বিল আনা হয়েছে। যদিও খাড়গে সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, “আপনার এটা কেন ভেবে নিচ্ছেন যে নির্দিষ্ট একটি সংস্থাকে টার্গেট করেই এই বিল আনা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.