সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিকার সই বিতর্ক কাটিয়ে আজ কলকাতা ফুটবল লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রেনবো। প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও মোহনবাগানের পারফরম্যান্স মন ভরাতে পারেনি সমর্থকদের। তাঁর সঙ্গে যোগ হচ্ছে মাঠের বাইরের-বিতর্ক। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে বড় জয় পাওয়ার পর বেশ আত্মবিশ্বাসী রেনবো। তাছাড়া এরই মধ্যে দলে যোগ দিয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের বহু যুদ্ধের নায়ক পেন। তাই লড়াইটা বেশ কঠিন হতে চলেছে মোহনবাগানের পক্ষে।
[পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে হারিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের]
শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নিয়ে এমনিতেই চিন্তায় কোচ শঙ্করলাল। এদিকে, ম্যাচের একদিন আগের সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি নিশ্চিত ছিলেন না নিজের সেরা অস্ত্র ডিকাকে পাবেন কিনা। কারণ ডিকার সই নিয়ে সোমবার দিনভর নাটক চলল মহমেডান এবং মোহনবাগানের মধ্যে। আইএফএ-র নিয়মে সঠিক সময়ে সই না হওয়ায় প্রথম ম্যাচে খেলানো যায়নি ডিকাকে। তাই সোমবার সকাল থেকে তাঁকে সই করাতে লেগে পড়ে কর্তারা। যার জন্য দরকার তাঁর গতবারের ক্লাব মহামেডান স্পোর্টিংয়ের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট। সেখানেই বিপত্তি। মহামেডান কর্তারা দাবি করেন ডিকাকে নিতে হলে দিতে হবে ট্রান্সফার ফি। অঙ্কের পরিমাণ দশ লাখ টাকা। আপত্তি জানান বাগান কর্তারা। তাদের বক্তব্য ছিল, ডিকার সঙ্গে মহামেডানের এক বছরের চুক্তি। তাহলে কেন ট্রান্সফার ফি-র কথা উঠছে? পরে অবশ্য সমস্যার সমাধান হয়। ট্রান্সফার ফি ছাড়াই এনওসি পাঠায় মহামেডান। সই হয় ডিকার।
[ইতিহাসে ভারতীয় ফুটবল, আর্জেন্টিনা ও ইরাককে হারিয়ে নজির মেন ইন ব্লু’র]
এ নিয়ে উঠে আসছে নানা প্রশ্ন। কেন ডিকার এনওসি-র জন্য অপেক্ষা করতে হল এতদিন? কেন আগেই আনা হয়নি? দায়িত্বে থাকা কর্তারা দিনের পর দিন ব্যর্থ হওয়ার পর গত সোমবার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ডিকার ভিসার ব্যবস্থা করেন মোহনবাগানের দুই ডিরেক্টর সৃঞ্জয় বোস ও দেবাশিস দত্ত। বুধবারই শহরে আসেন ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার। কথা ছিল প্রথম ম্যাচ থেকেই তাঁকে খেলানো হবে। যা ছিল শনিবার। তাহলে তার আগেই তো ডিকার এনওসি আসা উচিত ছিল। কেন হঠাৎ এদিন তৈরি হল ট্রান্সফার বিতর্ক?
[ভবিষ্যতের তারকা ক্রিকেটার তৈরি করতে এবার আসরে খোদ শচীন]
এর মধ্যেই রেনবো ম্যাচের প্রস্তুতি নিল মোহনবাগান। ঘরোয়া লিগে বেশিরভাগ সময় ছোট দলগুলি মাঝমাঠ ও ডিফেন্সে ভিড় করে রাখে। যা কাটাতে ফুটবলারদের দাওয়াই দিয়েছেন কোচ। বলেছেন, “ভিড়ের বেড়াজাল কাটাতে উইং প্লে-তে জোর দিতে হবে।” তাই প্রথম ম্যাচের দলে বদল হচ্ছে একটা। আগেরদিন খেলা আমে রানাওয়াড়ের বদলে লেফট ব্যাকে আসছেন অভিষেক আম্বেকর। নিজের চেনা পজিশন রাইট ব্যাকে অরিজিৎ বাগুই। এছাড়া পুরো ফিট না হলেও ডিকাকে অল্প খেলিয়ে ম্যাচ ফিট করার পরিকল্পনা কোচের। প্রতিপক্ষ রেনবোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন শঙ্করলাল। বলছিলেন, “রেনবো প্রথম ম্যাচে তিন গোলে জিতেছে। তার উপর পেন এসেছে। লিগের কঠিন দল ওরা।”
ছবি- শঙ্কর নাগ দাস।
সর্বশেষ খবর
-
দুর্নীতি পাঁক থেকে বেরতে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষ নিয়োগে নয়া তালিকা প্রকাশ এসএসসি-র
-
শুটিংয়ে ফের লক্ষ্যভেদ, ভারতে এল এশিয়াডের পঞ্চম সোনা, পদক সংখ্যায় হাফসেঞ্চুরি!
-
রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারে প্রবল বিস্ফোরণ, হুড়মুড়িয়ে ভাঙল বাড়ি, উত্তরপ্রদেশে মৃত ৪
-
কুনালের পর অগ্নিমিত্রার সঙ্গে মঞ্চভাগ, ‘দলবদলু’ তকমা জুটতেই শ্রীলেখার হেঁয়ালি, ‘ভাবনা তো ট্যাক্স ফ্রি’
-
বাতিল সব ম্যাচ, না জিতেই সেমিতে চার দল! এশিয়াডে ফের সোনা জিততে শ্রেয়সদের প্রতিপক্ষ কারা?