পিয়ারলেস ম্যাচে হার, লিগের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেল ইস্টবেঙ্গল

দুই প্রাক্তন মোহনবাগানীই লিগ জয়ের দরজা খুলে দিল সবুজ-মেরুনের জন্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮, ১৮:৪২

options
link
পিয়ারলেস ম্যাচে হার, লিগের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেল ইস্টবেঙ্গল

পিয়ারলেস ২ (ক্রোমা, নরহরি)

Advertisement

ইস্টবেঙ্গল  ১ (হায়দারা)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা ৮ বছর পর মোহনবাগনের  কলকাতা লিগ জয়ের রাস্তা খুলে দিলেন দুই প্রাক্তন মোহনবাগানীই। আনসুমনা ক্রোমা যাঁকে গতবছর ছেঁটে ফেলেছিল মোহনবাগান, সেই ক্রোমাই পিয়ারলেসের জার্সি গায়ে গোল করে দলকে জয় এনে দিলেন। পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে ২-১ গোলের এই হারের ফলে আপাতত লিগ লড়াইয়ে মোহনবাগানের থেকে কয়েকশো যোজন পিছিয়ে গেল লাল-হলুদ শিবির।

Advertisement

[ডিকার হ্যাটট্রিকে ধরাশায়ী এফসিআই, লিগ শীর্ষেই মোহনবাগান]

লিগ লড়াইয়ে না থাকলেও দুই প্রধানের পর সবচেয়ে শক্তিশালী দল হিসেবে উঠে এসেছিল পিয়ারলেস। ডার্বির পর মোহনবাগানের বড় জয়ে পিয়ারলেস ম্যাচের আগে এমনিতেই চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ ফুটবলাররা সেই চাপটাই নিতে পারলেন না। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখাল  প্রাক্তন লাল-হলুদ  কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের পিয়ারলেস। পিয়ারলেসের হয়ে ম্যাচের ৬ মিনিটেই প্রথম গোলটি করেন প্রাক্তন মোহনবাগানী ক্রোমা। ডান দিক থেকে আরেক প্রাক্তন মোগনবাগানী রহিম নবির বাড়ানো পাস থেকে বিশ্বকাপার অ্যাকোস্টাকে ধরাশায়ী করে দিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়িয়ে দেন ক্রোমা। এরপরও বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে পিয়ারলেস। কিন্তু ছন্দপতন ম্যাচের ২৭ মিনিটে। চোট পেয়ে ক্রোমা মাঠের বাইরে চলে যান। এরপর কিছুটা জাঁকিয়ে বসে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু প্রথমার্ধে তাঁরা গোল শোধ করতে পারেনি। ম্যাচের ৭১ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সমতা ফেরান কাসিম হায়দারা। এরপর অনেকে ভেবেছিলেন ডার্বির পর হয়তো আরও একবার কামব্যাক করবে লাল-হলুদ শিবির। কিন্তু তেমন হল না, বরং হল উলটোটাই। মাত্র ৬ মিনিটের মধ্যে আরেক মোহনবাগানী নরহরি শ্রেষ্টার গোলে ফের এগিয়ে যায়  পিয়ারলেস। ম্যাচের শেষের দিকে বেশ কয়েকবার আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। খেলা শেষে এদিনও ৮ মিনিট ইনজুরি টাইমের সিদ্ধান্ত নেন রেফারি, কিন্তু তাতেও গোল করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

[জল্পনার অবসান, নতুন বিনিয়োগকারীর নাম ঘোষণা করল মোহনবাগান]

লিগের এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নষ্ট করায় লিগ লড়াই থেকে কার্যত ছিটকেই গেল ইস্টবেঙ্গল কারণ। মোহনবাগানের সমান ম্যাচ খেলে এই মুহূর্তের ৩ পয়েন্টে পিছিয়ে ইস্টবেঙ্গল। গোলপার্থক্যেও মোহনবাগানের থেকে ৬ গোলে পিছিয়ে তাঁরা। তাই লিগ শেষে ট্রফি তোলার দাবিদার সবচেয়ে বেশি মোহনবাগানই। ৯ বছর পর যদি, মোহনবাগান এই ট্রফি পায়, তাহলে তাঁর কৃতিত্ব কিছুটা হলেও দুই প্রাক্তনীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন