সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের কাছে হারে মন ভেঙেছিল। কিন্তু সেই হারের ক্ষতে মলম লাগাল কলিঙ্গ সুপার কাপ (Kalinga Super Cup)। ১২ বছর পরে ট্রফি জিতে এটাই কোটি কোটি লাল হলুদ সমর্থকের মনের কথা। সেই কথাই শোনা গেল অধিনায়কের গলাতেও। সুপার কাপ জিতে ক্লেটন সিলভা সাফ জানালেন, ডুরান্ড হারে মন ভাঙলেও থেমে থাকেনি দল। আজ ট্রফি জিতে খুব খুশি তিনি।
[আরও পড়ুন: সুপার কাপে শাপমুক্তি, এক যুগ পরে ট্রফি এল ইস্টবেঙ্গলের ঘরে]
কলিঙ্গ সুপার কাপের শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। তার অন্যতম কারণ ক্লেটন (Cleiton Silva) নিজেই। মরশুমের শুরু থেকে সেভাবে তাঁর ম্যাজিক দেখতে পায়নি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। কিন্তু সুপার কাপের প্রতিটা ম্যাচেই দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। গোল পেয়েছেন ডার্বিতেও। ১২ বছর পরে ক্লাবের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে অধিনায়ক বলছেন, “গত কয়েকমাসে সেভাবে ভালো খেলতে পারছিলাম না। তবে তার পর আমার পরিবার এসেছে এখানে। ওদের সমর্থন পেয়ে আমি আরও ভালো খেলতে পারছি। মাঠে নেমে আরও উন্নতি করতে পারছি।”
ক্লেটনের গোলেই তো শেষ হল দীর্ঘ এক যুগের অপেক্ষা। জেতা ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের শেষে ড্র হওয়ার পরে তো তিনিই বাঁচিয়ে রেখেছিলেন আশার মশাল। ১১১ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করে ট্রফির গায়ে খোদাই করে দিলেন ইস্টবেঙ্গলের নাম। ম্যাচ শেষে অধিনায়কের অকপট স্বীকারোক্তি, “ডুরান্ডের ফাইনালে উঠেও মোহনবাগানের কাছে হারটা খুব যন্ত্রণার ছিল। তবে আজকে জিততে পেরে খুব খুশি। দলের সকলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ এই জয়।”
[আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের কাছে হারের ধাক্কা, WTC পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশেরও নীচে ভারত]
সর্বশেষ খবর
-
সেনার হাতে ফলল সোনা! ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক এল রোয়িং বিশ্বকাপে
-
‘জেহকে একটু কেটেও ফেলেছিল’, ‘অভিশপ্ত রাত’-এর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ভাগ সইফের
-
সাবাশ খুদে কমরেড! জন্মদিনে পাওয়া অর্থ হকারদের জন্য বিমান বসুর হাতে দিল ২ বছরের কন্যা
-
ইসকনের সব পদ থেকে সরানো হল রাধারমণ দাসকে, কোন কাজের ‘শাস্তি’?
-
বুড়ো বয়সে চড়া মেক আপ-নাচ কেন? কটাক্ষ ধেয়ে আসতেই নিজের ‘গ্ল্যামার’ ছড়ালেন অপরাজিতা