সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যাঁকে নিয়ে এত কাণ্ড, সেই তাঁকেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ফের একবার ম্যাচ রেফারি হিসাবে দেখা যাবে। রবিবার ভারত-পাক দ্বৈরথের আগে আইসিসি অ্যান্ডি পাইক্রফটকেই ম্যাচ রেফারি নির্বাচিত করল। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও পাকিস্তানের দাবি মানা হল না।
বাচ্চাদের মতো বায়না করে আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে প্রথমে খেলব না বলেও অবশেষে মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। তাদের দাবি ছিল, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের অপসারণ। আইসিসি প্রাথমিক তদন্তে রাজি হলেও পাইক্রফটকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে রাজি ছিল না আইসিসি।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড অভিযোগ জানিয়েছিল, পাইক্রফটই নাকি পাক অধিনায়ক সলমন আঘাকে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে হাত না মেলানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর জন্য তাদের কোনও ম্যাচে যাতে ম্যাচ রেফারি হিসাবে তাঁকে না রাখা হয়, সেই দাবি জানিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও তা মানেনি ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। আইসিসি শুরু থেকেই জানিয়েছে, এই বিতর্কে পাইক্রফটের কোনও ভূমিকাই নেই। সেই কারণেই জিম্বাবোয়ের ৬৯ বছরের পাইক্রফটকেই রবিবাসরীয় ভারত-পাক লড়াইয়ে ম্যাচ রেফারি রাখা হয়েছে। যথেষ্ট পেশাদারভাবেই পরিস্থিতি সামলেছেন তিনি বলে জানিয়েছে আইসিসি।
উল্লেখ্য, ম্যাচের আগে সূর্যকুমারের কাছে নির্দেশ আসে সলমনের সঙ্গে হাত মেলানোর। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই নির্দেশ এসেছিল বিসিসিআইয়ের থেকে। তাতে নাকি ভারত সরকারেরও সম্মতি ছিল। বোর্ডের সেই নির্দেশ পাইক্রফটের কাছে টসের ঠিক ৪ মিনিট আগে আসে। ফলে সরাসরি পাক বোর্ডকে জানানোর পর্যাপ্ত সময় পাননি। তাই মাঠেই সলমনকে জানান। এই পরিস্থিতিতে সলমন যদি টসের পর সূর্যর সঙ্গে হাত মেলাতে যেতেন এবং ভারত অধিনায়ক প্রত্যাখ্যান করতেন, তাতে তো সলমনকে ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি’র মধ্যে পড়তে হত। সেই পাইক্রফটকে রবিবার ফের ম্যাচ রেফারি দেখা যেতে চলেছে।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে