Shahid Afridi

পাকিস্তানে অগ্নিমূল্য জ্বালানি, নাভিশ্বাস পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে ট্রোলড আফ্রিদি

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানেও। বৃহস্পতিবার সেদেশে পেট্রল ও ডিজেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
পাকিস্তানে অগ্নিমূল্য জ্বালানি, নাভিশ্বাস পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে ট্রোলড আফ্রিদি
পাকিস্তান সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আফ্রিদি। ছবি সংগৃহীত।

যুদ্ধের জেরে মধ্যপ্রাচ্য জেরবার। যার প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বেই। পাকিস্তানেও এর প্রভাব পড়েছে। সেদেশে হু-হু করে বাড়ছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। সেসব দেখে পিএসএলের সূচি বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাক বোর্ড। তারা জানিয়েছিল, দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচ হবে। দেশের জ্বালানি সংকটের মাঝেই এবার সরকারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি (Shahid Afridi)। সেদেশের মানুষকে শান্ত থাকতে বলেছেন তিনি।

Advertisement

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানেও। বৃহস্পতিবার সেদেশে পেট্রল ও ডিজেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে পাকিস্তানে। ডিজেলের দাম ৫৪.৯ শতাংশ বেড়ে লিটারপ্রতি ৫২০.৩৫ পাকিস্তানি রুপিতে পৌঁছেছে। পেট্রলের দাম ৪২.৭ শতাংশ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৫৮.৪০ রুপি। শুক্রবার থেকেই এই নতুন মূল্য কার্যকর হচ্ছে।

Advertisement

আফ্রিদি বলেন, “পাকিস্তান এখনও অনেক দেশের তুলনায় ভালো অবস্থায় আছে। এই সময়ে সরকারের পাশে থাকা এবং সমর্থন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

পাকিস্তানের পেট্রলিয়াম মন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক বলেন, “আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। এই পরিস্থিতিতে এক ভিডিও বার্তায় আফ্রিদি বলেন, “যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্ব জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান এখনও অনেক দেশের তুলনায় ভালো অবস্থায় আছে। এই সময়ে সরকারের পাশে থাকা এবং সমর্থন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানি হিসাবে আমাদের উচিত সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো মেনে চলা, যাতে দেশের উন্নয়নের পথে কোনও বাধা না আসে।”

Advertisement

তবে তাঁর এই মন্তব্যে নেটপাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই সমর্থন জানালেও, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির প্রসঙ্গ তুলে সমালোচনাও করেছেন অনেকে। একজন ইউজার লেখেন, ‘দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু প্রতিদিনের খরচ সামলানোই যেখানে কঠিন, সেখানে সাধারণ মানুষ আর কতটা সহ্য করবে?’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আফ্রিদি ঠিকই বলেছেন। কিন্তু শুধু সমর্থন চাইলেই হবে না। সরকারের উচিত মানুষকে শান্তিতে রাখা।’ কেউ কেউ আবার সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ক্রিকেটারদের জন্য হয়তো এই দাম বড় বিষয় নয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রভাব মারাত্মক।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.