সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে ম্যাচের সেরা। হিমশীতল মানসিকতায় দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ফের চ্যাম্পিয়ন করার পথে আরও একধাপ এগিয়ে দেওয়া। এতকিছুর পরও একটা আক্ষেপ থেকে গেল। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেন বিরাট কোহলি। যদিও বিরাট নিজে বলছেন, তাঁর কাছে মাইলফলক জরুরি নয়। দলের জয়টাই জরুরি।
টার্গেট ২৬৫। দুবাইয়ে স্লো টার্নারে কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। শুরুটাও বিশ্রী হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার। চাপের মুখে আবারও নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে লড়াই শুরু করলেন বিরাট। প্রথমে সঙ্গী শ্রেয়স আইয়ার। তারপর অক্ষর প্যাটেল, তারপর কে এল রাহুল। ৯৮ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে কোহলি যখন ফিরলেন, তখন দলের জয়ে বিশেষ সংশয় ছিল না। বাকি কাজটুকু করে দিলেন কেএল রাহুল এবং হার্দিক পাণ্ডিয়া। দলকে জিতিয়ে বিরাট বললেন, “মরিয়া হয়ে রান তোলার চেষ্টা করিনি। গ্যাপ দেখে খেলার চেষ্টা করছিলাম। ছোটখাটো বিষয়গুলোয় নজর রেখে পিচ অনুযায়ী খেললে সাফল্য পাওয়া যায়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও একই ভাবে খেলেছিলাম।”
দল জিতলেও সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়েছে। সেটা কি তাড়াহুড়োর জন্যই? বিরাট বলছেন, হ্যাঁ। কিং কোহলির কথায়, “যখন আউট হলাম তখন সেঞ্চুরির আর সামান্যই বাকি। আমি চেয়েছিলাম তাড়াতাড়ি সেই রানটা করে নিয়ে আর দু’ওভারের মধ্যে খেলা শেষ করে দিতে। মাঝেমাঝে সে ভাবেই খেলতে চাই। কিন্তু সবসময় সেটা হয় না।”
তবে নিজের মাইলফলক ছুঁতে না পারলেও হতাশ নন কোহলি। সাফ বলে দিচ্ছেন, তাঁর কাছে দলের জয়টাই আসল। পাকিস্তান ম্যাচে সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা ইনিংস। তাহলে কি সেরা ফর্মে ফিরেছেন তিনি? বিরাটের জবাব, “ফর্ম নিয়ে আমি আর মাথা ঘামাই না। এটা তো আপনারা ঠিক করবেন। মাইলফলকের দিকে না তাকিয়ে দলের জয়ের কথা ভাবলে এ ধরনের সাফল্য এমনিই আসবে। দল যা চায় সেটা করতে পারলে আমি গর্বিত হই। মাইলফলক আর আকৃষ্ট করে না।”
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!