সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব সামলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার পর এখনও আইপিএলে দাপটের সঙ্গে খেলে চলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবার তাঁর কাঁধে আরও বড় দায়িত্ব। আসন্ন ঝাড়খণ্ড নির্বাচনে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে নির্বাচনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সেই বিষয়ে জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে রবিকুমার।
সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, “মহেন্দ্র সিং ধোনি তাঁর ছবি ব্যবহারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুমতি দিয়েছেন। ভোটদানের জন্য মানুষকে সচেতন ও উৎসাহিত করার জন্য তিনি কাজ করবেন।” ভবিষ্যতে এই প্রচারমূলক কাজ কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেই বিষয়ে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নির্বাচন কমিশন। যুবসমাজের মধ্যে ধোনির জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যাতে নতুন প্রজন্ম আরও বেশি করে ভোট দিতে আসেন।
এর আগেও নির্বাচন কমিশন ক্রীড়াবিদদের সচেতনতা প্রচারের মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে। সেটা কখনও জাতীয় স্তরে, কখনও-বা রাজ্যস্তরে। ২০২৩-এ খোদ ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ শচীন তেণ্ডুলকরকে ‘ন্যাশনাল আইকন’ হিসাবে বেছে নিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। লোকসভা নির্বাচনের সময় শচীনকে দেশজুড়ে ভোটদানের সচেতনতার প্রচারে ব্যবহার করতেও দেখা যায়। এছাড়া লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে পাঞ্জাবের নির্বাচনী অফিসারের অফিস থেকে ‘স্টেট আইকন’ হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল ক্রিকেটার শুভমান গিলকে।
উল্লেখ্য, ১৩ এবং ২০ নভেম্বর দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ঝাড়খণ্ডে। ২৩ নভেম্বর গণনা। প্রথম দফায় ভোট হবে ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে। দ্বিতীয় দফায়, ২০ নভেম্বর ঝাড়খণ্ডের ৩৮টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ। পাশাপাশি ২০ নভেম্বর একদফাতেই মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনে হবে বিধানসভা নির্বাচন। দুই রাজ্যেই ভোট গণনা ২৩ নভেম্বর।
সর্বশেষ খবর
-
বেগুন পোড়া খাওয়ার পর থেকেই বমি! অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ৯ মাসের শিশু সহ ৩ জনের
-
ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, ‘পচা’ ভাদ্রের শুরুতেও ভাসবে বাংলা! কী বলছে হাওয়া অফিস?
-
বিধানসভার গ্রন্থাগার থেকে নেওয়া রবীন্দ্রনাথের ১৯টি বই ‘ফেরত’ দেননি মমতা! আতান্তরে কর্মীরা
-
‘আমিই খুন করেছি’, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি গোল্ডি ব্রারের! ‘ফাঁস’ অডিও
-
মারা গেল শেষ রয়েল বেঙ্গলটিও! বাঘ শূন্য ঝড়খালি ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্র