চাহাল-কুলদীপের স্পিনের ছোবলে কাত দক্ষিণ আফ্রিকা, একপেশে জয় বিরাটদের

২-০ সিরিজে এগিয়ে গেল টিম ইন্ডিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৮:২৪

options
link
চাহাল-কুলদীপের স্পিনের ছোবলে কাত দক্ষিণ আফ্রিকা, একপেশে জয় বিরাটদের

দক্ষিণ আফ্রিকা – ১১৮ (অল আউট)

Advertisement

ভারত – ১১৯/১ (ধাওয়ান ৫১, বিরাট ৪৬)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত ৯ উইকেটে জয়ী

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও অপ্রতিরোধ্য টিম ইন্ডিয়া। চাহাল, কুলদীপের ঘূর্ণিতে মাত্র ১১৮ রানে গুটিয়া গেল প্রোটিয়াসরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ছেলেখেলা করে ৯ উইকেটে জিতে যায় বিরাটরা।

[পৃথ্বীদের বিশ্বজয়ী হওয়ার কারণ ফাঁস করলেন খোদ শচীন]

chahal

 

তৃতীয় টেস্ট থেকে বিরাট দেখিয়ে দিয়েছিল ঘুরে দাঁড়ালে ভারত কতটা বিপজ্জনক হতে পারে। ডারবান প্রথম একদিনের ম্যাচে বিরাট-রাহানের যুগলবন্দিতে রান তাড়া করে জয়। আর সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয় ওয়ান ডে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল টিম ইন্ডিয়া। বলা ভাল, ভারতের স্পিন জুটি। চাহাল আর কুলদীপের ফ্লাইট ধরতেই পারেনি ডুমিনি, মার্করামরা। মাত্র ৮.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে চাহাল একাই নিলেন পাঁচ উইকেট। কেরিয়ার সেরা বোলিংয়ে চাহালের শিকার ডি কক, ডুমিনি, অভিষেককারী জোন্ডো, মরিস এবং মর্কেল। প্রথম ভারতীয় স্পিনার হিসাবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে পাঁচ উইকেট নিলেন চাহাল। এটা তাঁর কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্স। কম গেলেন না চায়নাম্যান স্পিনার কুলদীপ। বাঁ হাতি কুলদীপ নিলেন তিন উইকেট। স্পিনারদের এমন দাপটের জন্য ভুবি, বুমরাহদের তেমন কিছু করতে হয়নি। স্পিনারদের ঘূর্ণিতে ৩২.২ ওভারে মাত্র ১১৮ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়াসরা। সেঞ্চুরিয়নে এটাই দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্কোর। ২০০৩-এর বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ১২৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল সৌরভের ভারত। ১৫ বছর পর সেই লজ্জা ঘোচাল বিরাটরা। বোলাররা যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকে যেন শুরু করলেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। কুলদীপ, চাহালদের বলে প্রোটিয়ারা সর্ষে ফুল দেখলেও দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনারদের মাথায় চড়তে দেননি কোহলি, ধাওয়ানরা। পেসারদের শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকেন ধাওয়ান, রোহিত। রোহিত অবশ্য ১৫ রানে ফিরে গেলেও চালিয়ে খেলতে থাকেন ধাওয়ান ও বিরাট। প্রথম একদিনের ম্যাচে রান আউট হওয়ার জন্য আক্ষেপ ছিল ধাওয়ানের। এদিন হাফ সেঞ্চুরি করে সিরিজের বাকি ম্যাচগুলির জন্য নিজের জায়গা  পাকা করলেন ভারতীয় ওপেনার। মাত্র ২০.৩ ওভারে জয়ের রান তোলে ভারত।

 

55

[ডারবানে সেঞ্চুরি করে অন্য ভঙ্গিমায় উচ্ছ্বাস বিরাটের, কারণ জানেন কি?]

চোটের জন্য সিরিজে নেই ডিভিলিয়ার্স। আঙুলে চোটের জন্য দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছেন অধিনায়ক ডু প্লেসিও। দুই প্রথম সারির ক্রিকেটার না থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকা কতটা সাদামাটা তা বোঝা গেল এই ম্যাচে। একটাও পার্টনারশিপ জমেনি। নতুন অধিনায়ক মার্করামকে দেখে বোঝা যায়নি কিছু করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন একদিনের ক্রিকেটে কেন ভারত এক নম্বর তা এদিন ভালভাবে বুঝে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৯ উইকেটে একপেশে ভাবে জিতে ৬ ম্যাচের এই সিরিজে ২-০ এগিয়ে গেল বিরাটরা। ম্যাচের সেরা হয়েছেন যুঝবেন্দ্র চাহাল সতীর্থদের এমন পারফরম্যান্স দেখে উৎসাহের চোটে রবিচন্দ্রণ অশ্বিন টুইট করেন ৬-০ ভারত জিতবে। তবে অশ্বিন এই টুইট করলেও চাহাল-কুলদীপ যেভাবে বল করছেন তাদের অশ্বিন-জাদেজা জুটি কীভাবে জায়গা পাবে তা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এদিন জয়ের থেকে মাত্র ২ রানে দূরে যখন ভারত তখন খেলা বন্ধ রাখা হয়। লাঞ্চ সেরে ৪০ মিনিট পর খেলতে নামেন বিরাটরা। যা নিয়ে একরাশ বিতর্ক তৈরি হয়। কোনও টিম স্রেফ লাঞ্চের জন্য এতক্ষণ খেলা বন্ধ রেখেছে এমন ঘটনায় অবাক ক্রিকেটপ্রেমীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে চাহাল-

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.