KKR

আজ দিল্লি থেকে রায়পুর যাচ্ছে কেকেআর, গ্রিনের কষা অঙ্ক মেনে সেঞ্চুরি করেন অ্যালেন

কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন আরও জটিল করে দিয়েছে প্লেঅফের অঙ্ক। এরমধ্যে শেষ ম্যাচে তাদের কাছে হেরে কার্যত প্রথম চারের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। যে জয়ের নায়ক ফিন অ্যালেন।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১১:১০

options
link
আজ দিল্লি থেকে রায়পুর যাচ্ছে কেকেআর, গ্রিনের কষা অঙ্ক মেনে সেঞ্চুরি করেন অ্যালেন
ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে ফিন অ্যালেন। ছবি সংগৃহীত।

প্রথম ছ’ম্যাচে জয়ের দেখা মেলেনি। আবহাওয়ার সৌজন্যে পাওয়া গিয়েছিল সাকুল্যে একটা পয়েন্ট। প্রথম চারে শেষ করার সম্ভাবনা নেই বলে রায় দিয়ে দিয়েছিলেন অনেকেই। সেই দলটাই শেষ চারটে ম্যাচ জিতে প্রবলভাবে ঢুকে পড়েছে আইপিএল প্লেঅফের দৌড়ে।

Advertisement

কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন আরও জটিল করে দিয়েছে প্লেঅফের অঙ্ক। এরমধ্যে শেষ ম্যাচে তাদের কাছে হেরে কার্যত প্রথম চারের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। যে জয়ের নায়ক ফিন অ্যালেন। মাস দু’য়েক আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন কিউয়ি ওপেনার। কিন্তু কেকেআর জার্সিতে যেন কিছুতেই জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। প্রথম একাদশ থেকে ছিটকেও গিয়েছিলেন। ফের দলে ফিরে পাওয়া সুযোগ আর হাতছাড়া করেননি। দিল্লির বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। একটা সময় ৯৪ রানে ব্যাট করছিলেন অ্যালেন, দলের জিততে দরকার ছিল মাত্র ২ রান। সেখান থেকে ছয় মেরে আইপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিটা করেন তিনি। যা নিয়ে অ্যালেন বলছিলেন, “আমার সামনে দু’টো পথ ছিল। সেঞ্চুরির চেষ্টা করে আউট হওয়া বা নটআউট থাকা। শেষ পর্যন্ত আমি ঠিক করি, ছয় মারব।”

Advertisement

দিল্লির বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। একটা সময় ৯৪ রানে ব্যাট করছিলেন অ্যালেন, দলের জিততে দরকার ছিল মাত্র ২ রান। সেখান থেকে ছয় মেরে আইপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিটা করেন তিনি।

জেতার জন্য কেকেআর-কে করতে হত মাত্র ১৪৩। অ্যালেনের সেঞ্চুরির ক্ষেত্রে সেটাও একটা বড় ‘ফ্যাক্টর’ ছিল। কারণ উলটোদিকে ক্যামেরন গ্রিন একটা-দু’টো বড় শট খেললেই শেষ হয়ে যেত কিউয়ি ব্যাটারের তিন অঙ্কে পৌঁছানোর সম্ভাবনা। যা নিয়ে গ্রিন বলছিলেন, “অ্যালেনের সেঞ্চুরিতে ২৯ রান বাকি থাকার সময়ই আমি অঙ্ক কষে নিয়েছিলাম। আসলে ওর সেঞ্চুরি না হওয়ার জন্য সমর্থকদের কাঠগড়ায় উঠতে চাইনি আমি।” অ্যালেনও শোনালেন, “শেষে গ্রিন স্ট্রাইক নেওয়ার সময় ওকে বলেছিলাম যে দ্রুত ম্যাচটা শেষ কর। কিন্তু ও আমাকে বলে যে ছয় মেরে তুমিই সেঞ্চুরি করবে।” সঙ্গে জুড়লেন, “আমি প্রথমবার গ্রিনের সঙ্গে ব্যাট করলাম। তাই আমি কয়েকটা ভালো শট খেলে ওকে সেট হওয়ার সময় দিতে চেয়েছিলাম। খারাপ বলের জন্য অপেক্ষা করেছি। গ্রিনও ভালো খেলেছে। ওর সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা দারুণ।”

Advertisement

টানা চার জয়ের আত্মবিশ্বাসে ভরপুর কেকেআর এখনই প্লেঅফ নিয়ে ভাবতে নারাজ। বরং একটা করে ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবলে যতটা সম্ভব উপরে যাওয়াই আপাতত লক্ষ্য তাদের। অ্যালেন বলছিলেন, “প্রথম ছ’টা ম্যাচে আমরা জিততে পারিনি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। তবে একটা জয় দলের মোমেন্টাম বদলে দেবে, তা নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম। সেটাই হয়েছে। এখন একটা করে ম্যাচে ফোকাস করছি।” একই সুরে গ্রিন শোনালেন, “আমরা সবসময়ই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।” পরের ম্যাচে কেকেআরের প্রতিপক্ষ আরসিবি। সেই ম্যাচ খেলতে রবিবার দিল্লি থেকে রায়পুর যাবে দল। এবারের আইপিএলে এটাই কেকেআরের শেষ অ্যাওয়ে ম্যাচ। এরপর যথাক্রমে গুজরাত টাইটান্স (১৬ মে), মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (২০ মে) এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের (২৪ মে) বিরুদ্ধে ইডেনে হোম ম্যাচ খেলবেন অজিঙ্ক রাহানেরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.