Chinnaswamy Stadium

১১ জন সমর্থকের মৃত্যুর স্মৃতি এখনও দগদগে! ফের চিন্নাস্বামীর নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ

গত বছর বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই কোণঠাসা ছিল চিন্নাস্বামী। আবারও বিতর্কে বেঙ্গালুরুর এই স্টেডিয়াম। ঠিক কী হয়েছে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১২:০০

options
link
১১ জন সমর্থকের মৃত্যুর স্মৃতি এখনও দগদগে! ফের চিন্নাস্বামীর নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ
ফের চিন্নাস্বামীর নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ। ফাইল ছবি।

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন ম্যাচ আয়োজন নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। গত বছর বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই কোণঠাসা ছিল চিন্নাস্বামী। আবারও বিতর্কে বেঙ্গালুরুর এই স্টেডিয়াম। এবার আইপিএলের ম্যাচ চলাকালীন বড়সড় নিরাপত্তা গাফিলতির অভিযোগ উঠল চিন্নাস্বামীতে। 

Advertisement

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম গুজরাট টাইটান্স ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামের প্রায় ২৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ আচমকাই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিকল্প ব্যবস্থা করে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় খেলা। পুলিশ সূত্রে খবর, সাব-কন্ট্রাক্টর সংস্থা আইভিএস ডিজিটাল সলিউশনসের দুই কর্মী মঞ্জুনাথ ই এবং আবদুল কালাম অনুমতি ছাড়াই সিসিটিভি সার্ভার রুমে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, নিষ্ক্রিয় অ্যাক্সেস কার্ড ব্যবহার করে তাঁরা বৈধ পাস ছাড়াই নিরাপত্তা ভেঙে ভিতরে ঢুকেছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তকারীদের দাবি, সার্ভার রুমে ঢোকার পর ওই দুই ব্যক্তি এনভিআর ও ফাইবার সংযোগ কেটে দেন। এর ফলে প্রবেশদ্বার, কনকোর্স এলাকা, ডি কর্পোরেট স্ট্যান্ড-সহ স্টেডিয়ামের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশের নজরদারি ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। ম্যাচ চলাকালীন একাধিক অঞ্চল সাময়িকভাবে সিসিটিভিহীন হয়ে পড়ে। যদিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যা ধরা পড়ার পরই বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা হয়। নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি হতে দেওয়া হয়নি। ঘটনায় কাবন পার্ক পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে এই ‘নাশকতা’, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

গত বছর বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই বিপাকে ছিল চিন্নাস্বামী। দলের সেলিব্রেশনের সময় স্টেডিয়ামের বাইরে পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে আহতের সংখ্যা ৪৭। ওই ঘটনার দায় কার? তা নিয়ে দীর্ঘদিন দড়ি টানাটানি চলেছে। অবশেষে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা সরকারের কাছে চিন্নাস্বামীতে ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পায় আরসিবি। সেখানে এবার একাধিক ম্যাচও হয়েছে। তবে কিছুদিন আগেই স্টেডিয়াম চত্বরে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে চন্দ্রশেখর নামে এক ক্যান্টিনকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে প্রায় ১০০টি ম্যাচের টিকিট উদ্ধার হয়। এবার সেই স্টেডিয়াম নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, অতীতের ঘটনা থেকে কি শিক্ষা নেয়নি চিন্নাস্বামী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.