বাদশার সামনে ঘরের মাঠে মর্যাদার লড়াইয়ে হার গম্ভীরের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স- ১৭৩/৫ (রায়ডু ৬৩, তিওয়ারি ৫২, বোল্ট ২/৩০)Advertisement কলকাতা নাইট রাইডার্স-  ১৬৪/৮ (মণীশ ৩৩, হার্দিক পাণ্ডিয়া ২/২২) ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়। চোখ রাখুন Advertisement মুম্বই ৯ রানে জয়ীAdvertisement সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাদশার সামনেই ইডেনে আজ তাঁর মর্যাদার লড়াই ছিল। লড়াই দুবারের আইপিএল জয়ী … <p class="link-more"><a href="https://www.sangbadpratidin.in/sports/kolkata-lost-to-mumbai-in-ipl-clash-by-9-runs/pid/61845/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "বাদশার সামনে ঘরের মাঠে মর্যাদার লড়াইয়ে হার গম্ভীরের"</span></a></p>

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১০:৪৭

options
link
বাদশার সামনে ঘরের মাঠে মর্যাদার লড়াইয়ে হার গম্ভীরের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স- ১৭৩/৫ (রায়ডু ৬৩, তিওয়ারি ৫২, বোল্ট ২/৩০)

Advertisement

কলকাতা নাইট রাইডার্স-  ১৬৪/৮ (মণীশ ৩৩, হার্দিক পাণ্ডিয়া ২/২২)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুম্বই ৯ রানে জয়ী

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাদশার সামনেই ইডেনে আজ তাঁর মর্যাদার লড়াই ছিল। লড়াই দুবারের আইপিএল জয়ী অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের। গোটা আইপিএল মরশুমে এই প্রথম মাঠে হাজির স্বয়ং কিং খান। নিজের দলের জয় দেখতে।

SRK_web

হারলেই লজ্জায় মাথা কাটা যাওয়ার শামিল ছিল। বৈশাখ শেষের কালবৈশাখীতে স্নাত তখন ক্রিকেটের নন্দনকানন। জিততেই হবে এমন পরিস্থিতি। কিন্তু হল না। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে শেষ হাসি হাসল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ৯ রানে হেরে গেল কলকাতা। ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচে জয় তো এলই না। বরং হেরে গিয়ে বিপাকে পড়ে গেলেন গম্ভীররা। লিগে তালিকায় তিন নম্বরে শেষ করে প্লে-অফে গেল তারা। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলতে হবে তাদের। তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে তা জানতে রবিবার পুণে এবং পাঞ্জাব ম্যাচের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এদিন ঝড়-বৃষ্টির জন্য দেরিতে শুরু হয় খেলা।

KKR-2_web

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নাইট অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। শুরুতেই বিপজ্জনক লেন্ডল সিমন্সের উইকেট নিয়ে মুম্বইকে বিপদে ফেলে দেন কিউয়ি ফাস্ট বোলার ট্রেন্ট বোল্ট।

KKR-1_web

সেখান থেকে ইনিংসের হাল ধরেন সৌরভ তিওয়ারি এবং ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কিন্তু রোহিতও বেশক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারলেন না। ২৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। তারপর তিওয়ারি আম্বাতি রায়ডুকে নিয়ে পার্টনারশিপ গড়তে শুরু করেন। বাড়তে থাকে রানের গতি। ৫২ রান করে রান আউট হন সৌরভ তিওয়ারি। শেষপর্যন্ত আম্বাতি চালিয়ে খেলতে শুরু করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৬৩ রানের মাথায় নাইটদের চায়নাম্যান বোলার কুলদীপ যাদবের বলে স্টাম্প আউট হন আম্বাতি। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মুম্বই তোলে ১৭৩ রান। নাইটদের হয়ে সর্বাধিক ২টি উইকেট নেন বোল্ট।

MI_web

এদিনও সুনীল নারিন এবং ক্রিস লিনকে ওপেন করতে পাঠায় নাইট রাইডার্স শিবির। কিন্তু সবদিন সমান যায় না। যেমন এদিন হল। প্রথম ওভারেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান নারিন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলাতে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক গম্ভীর। বেশ চালিয়েও খেলছিল লিন-গম্ভীর জুটি। তবে বাদ সাধল গম্ভীরের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। বড্ড বেশি উত্তেজিত হয়ে মিচেল জনসনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে বসেন গম্ভীর। তখন স্কোরবার্ডে তাঁর নামের পাশে ২১ রান। লিনও তাঁর পিছন পিছনই ২৬ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান। ব্যর্থ হন রবিন উথাপ্পাও। মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। পরপর উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে নাইটবাহিনী। সেইসময় অবতীর্ণ হন ইউসুফ পাঠান। হঠাৎ শান্ত হাতি খেপে উঠলে যা হয় তেমনটাই হল ইডেনে। নেমেই বিধ্বংসী মেজাজে খেলতে শুরু করলেন পাঠান। আইপিএলের ঘুমন্ত দৈত্য হয়ে গিয়েছিলেন পাঠান। কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন। তবে পুরনো দিনের ঝলক দেখালেন তিনি। মাত্র ৭ খেলে ২০ রান করে ফেলেন। কিন্তু বুম বুম পাঠান শো বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এখানেও সেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখাতে গিয়ে উইকেট দিয়ে বসলেন তিনি।

বহুদিন বাদ চোট সারিয়ে বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন মুম্বইয়ের ফাস্ট বোলার বিনয় কুমার। ক্রিস লিন এবং পাঠানকে আউট করে তিনি এদিন বুঝিয়ে দেন, ফুরিয়ে যাননি তিনি। এরপর এই ঘোর বিপদ থেকে নাইটদের উদ্ধারকার্যে নামে মণীশ পাণ্ডে এবং ডি গ্রান্ডহোমে জুটি। পরপর উইকেট পড়লেও আস্কিং রেট কিন্তু নাগালের মধ্যেই ছিল। শুধু দরকার ছিল একটা ভাল স্টেডি পার্টনারশিপের। সেই চেষ্টাই করছিলেন দুজনে। রোজ রোজ নারিন, লিন, গম্ভীর, উথাপ্পারা ম্যাচ বের করলে নিচের দিকের ব্যাটসম্যানরা কী করবেন? তাই এদিনের ম্যাচ ছিল লোয়ার মিডল অর্ডারকে দেখে নেওয়ার। ভাগ্যও বেশ সহায় ছিল মণীশ পাণ্ডের। ২২ রানের মাথায় মিচেল জনসনের বলে কট বিহাইন্ডের অ্যাপিল ওঠে। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায় আউট ছিলেন তিনি। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেননি। সেই নিয়ে ক্ষোভ দেখান মুম্বইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। আবার ৩০ রানের মাথায় সাউদির বলে ক্যাচ পড়ে মণীশের। ভাগ্যদেবী খুবই সহায় বোঝাই যাচ্ছিল। কিন্তু গ্রান্ডহোমের ভাগ্য সহায় হয়নি। ২৯ রান করে হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন তিনি।

তবে একদিন ধরে খেলছিলেন মণীশ। কেন তাঁকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ভারতীয় দলে নির্বাচন করা হয়েছে তার ঝলক এদিন পাওয়া গেল। ঠান্ডা মাথায় রানরেট ঠিক রেখে খেলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁর একার চেষ্টায় কতটা সম্ভব সেটা? যা হওয়ার তাই হল। একার কাঁধে ম্যাচ বের করার চাপ নিয়ে ৩৩ রানে আউট হয়ে যান মণীশ। তৃতীয়বার ভাগ্যদেবী তাঁকে রেয়াত করেননি। মণীশ আউট হওয়ার পর নাইটদের ইনিংস শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা ছিল। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই হারিয়ে যায় তারা।

ছবি সৌজন্যে- BCCI

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.