Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Ram Temple

দানের সোনা গলিয়ে বিস্কুটে রূপান্তর! রাম মন্দিরে চুরির তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি সিটের

টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। এই অবস্থায় তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে তা সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৩:৫৬

options
link
দানের সোনা গলিয়ে বিস্কুটে রূপান্তর! রাম মন্দিরে চুরির তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি সিটের zoom
রাম মন্দির। ফাইল ছবি।

টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। এই অবস্থায় তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে তা সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে। যাতে সেগুলিকে চেনা না যায় এবং সহজে লুকিয়ে ফেলা যায়। বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটের তদন্তে সামনে আসছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

চুরির তদন্তে নেমে রাম মন্দির পরিদর্শন করেছিলেন সিটের কর্তারা। সেখানে মন্দিরের ইনচার্জ কেডি বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মন্দিরের গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের খুঁটিনাটি তথ্য নেওয়া হয়। তদন্তকারীরা দানে পাওয়া গয়না ও অন্যান্য নথিপত্রের পাশাপাশি সরকারি মালিকানাধীন প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (মিন্ট)-এর সঙ্গে লেনদেনের তথ্য চেয়েছেন। ব্যাঙ্ক ও মিন্টে পাঠানো সমস্ত মূল্যবান ধাতুর বিস্তারিত হিসেব দিতে বলা হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, দানে পাওয়া এই সমস্ত সোনা ও মূল্যবাণ ধাতু নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠানো হয়নি। কিছু অংশ যে টাকার সঙ্গেই চুরি গিয়েছে তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। তবে সেই চুরি যাওয়া সোনা বা ধাতু এখনও উদ্ধার হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনুমান করা হচ্ছে, দানে পাওয়া এই সমস্ত সোনা ও মূল্যবাণ ধাতু নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠানো হয়নি। কিছু অংশ যে টাকার সঙ্গেই চুরি গিয়েছে তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট।

এই অবস্থায় তদন্তকারীরা অনুমান করছেন এই সব সোনা গলিয়ে বিস্কুটে পরিণত করা হয়। যাতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আপাতত সেই সোনার সন্ধান করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে তদন্তে আরও জানা যাচ্ছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে যে আয় হত তা তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই আলোচনায় সোনা, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও মজুত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হত না।

ভক্তদের কাছ থেকে যে সমস্ত মূল্যবান ধাতু পাওয়া গিয়েছিল প্রথম পর্যায়ে তা পরীক্ষা ও গলানোর জন্য ৯.৪৪ কুইন্টাল (৯৪৪ কেজি) রুপো সরকারি টাকশালে পাঠিয়েছিল ট্রাস্ট। ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে, প্রায় ১৩ কুইন্টাল রুপো এবং প্রায় ২০ কেজি সোনা অনুদান হিসেবে পেয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.