স্মৃতি বড় বেদনার! অন্তত বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটা মনে করেন। যেরকম একটি ঘটনার কথা উঠলে আজও টাইগার-ভক্তদের মনখারাপ হয়ে যায়। এমনকী বাংলাদেশের ক্রিকেটারও জানালেন, একটা ঘটনার পর দলের সকলে হাউ হাউ করে কেঁদেছিলেন। কোন ম্যাচ? ২০১৬ সালের সুপার টেনের সেই মহানাটকীয় ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ। আর ১ রানে ভারতের জয়ের সেই ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদুল্লা রিয়াদ।
আরও পড়ুন:
আগে সেই ম্যাচের স্মৃতি একবার ঝালিয়ে নেওয়া যাক। দশ বছর আগে বেঙ্গালুরুতে সুপার টেনের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত-বাংলাদেশ। প্রথম ব্যাট করে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন দল করেছিল ১৪৬ রান। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জিততে ১১ রান দরকার ছিল। হাতে ৪ উইকেট। হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে একটি শট রানের পর দু’টি চার মারেন মুশকিফুর রহিম। জয় নিশ্চিত ভেবে সেলিব্রেট করাও শুরু করেন তিনি। কিন্তু পরপর দুই উইকেট তুলে নেন হার্দিক। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। কিন্তু উইকেটের পিছনে তৈরি ছিলেন ধোনি। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা রান নেওয়ার চেষ্টা করতেই চিতার মতো গতিতে ছুটে এসে উইকেট ভেঙে দেন তিনি। ভারত জেতে এক রানে।
তারপর? বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে শ্মশানের নীরবতা! সেদিনের হৃদয়বিদারক স্মৃতি নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদুল্লা। ওই ম্যাচে শেষ ওভারে যে তিনজন আউট হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন মাহমুদুল্লা। ১০ বছর পরে এসে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার বলছেন, “সেই ম্যাচ হারার পর আমরা মাঠেই কেঁদেছি, হোটেলে ফিরেও আমি আর মুশফিক দীর্ঘক্ষণ কেঁদেছি।”
একটি পডকাস্টে এসে মাহমদুল্লা স্বীকার করেন, ওই ম্যাচটা তাঁকে বদলে দিয়েছে। ৪০ বছর বয়সি ক্রিকেটার বলেন, “আমি জানি না সেদিন ঠিক কী হয়েছিল। আমাদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। আমরা ভারতকে হারানোর খুব কাছে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেই ম্যাচ আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই টেনে নিতে হয়। শেষ মুহূর্তে বাউন্ডারি মারার চিন্তা করাটা ছিল চরম বোকামি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট