Gautam Gambhir

পরিবারকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, হাতাহাতির পরিস্থিতি! গম্ভীরের বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক মনোজ

কেন দুজনের মধ্যে এত সমস্যা? সেটাও জানিয়েছেন মনোজ তিওয়ারি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৯:২২

options
link
পরিবারকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, হাতাহাতির পরিস্থিতি! গম্ভীরের বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক মনোজ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গম্ভীরকে নিয়ে ফের বিস্ফোরক মনোজ তিওয়ারি। এবার তাঁর বক্তব্য, রনজি ট্রফির ম্যাচে গম্ভীর ক্রমাগত পরিবারকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছিলেন। এছাড়া আইপিএলে কেকেআরে খেলার সময় দুজনের মধ্যে রীতিমতো হাতাহাতির পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। সেবার তাঁদের শান্ত করেন ওয়াসিম আক্রম।

Advertisement

সাম্প্রতিক সময়ে গম্ভীরের বিরুদ্ধে একাধিকবার ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন মনোজ। বর্ডার গাভাসকর ট্রফিতে হারের পর ভারতীয় কোচকে ‘হিপোক্রিট’ও বলেছিলেন। এবার তিনি তুলে আনলেন আইপিএলে কেকেআরের হয়ে খেলার সময়ের অভিজ্ঞতার কথা। মনোজ বলছেন, “একবার ইডেন গার্ডেন্সে আমার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। আমার খুব খারাপ লাগে আর আমি ওয়াশরুমে চলে যাই। তখন ও আমাকে বলে, ‘এই আচরণ চলবে না। তোকে আমি কোনওদিন খেলাব না।’ আমি গম্ভীরকে সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞেস করি, কেন এভাবে কথা বলছে। ও আমাকে পালটা হুলকি দেয়। তখন আমাদের বোলিং কোচ ওয়াসিম আক্রম এসে ঝামেলা থামান। নাহলে মারামারি বেঁধে যেত।”

Advertisement

সেই সঙ্গে তিনি বলছেন ২০১৫ সালে রনজি ট্রফির ম্যাচের কথা। মনোজের বক্তব্য, “রনজি ট্রফির ম্যাচে আমি ব্যাট করতে নেমেছিলাম। ও স্লিপ থেকে আমার পরিবারকে নিয়ে ক্রমাগত অশালীন মন্তব্য করে যাচ্ছিল। ওই ধরনের কথা কেউ মুখেও আনে না। তখন ও আমাকে বলে ‘সন্ধেবেলা দেখা কর, তোকে মারব।’ আমিও ওকে বলি, ‘সন্ধ্যায় কেন, মারলে এখনই মারো। তখন আম্পায়ার এসে আমাদের থামান। তবে তারপরও আমাকে নোংরা কথা বলছিল। আম্পায়ারও খুব বেশি কিছু করতে পারেননি। কারণ ও তো বড় প্লেয়ার।”

Advertisement

কিন্তু কেন দুজনের মধ্যে এত সমস্যা? মনোজের মতে, অন্যের প্রচার সহ্য করতে পারেন না গম্ভীর। তিনি বলেন, “যখন কোনও নতুন প্লেয়ার ওঠে, তখন তাঁর নাম পেপারে আসে। সম্ভবত সেই কারণেই ওর আমার উপর এত রাগ। যদি আমিও আত্মপ্রচার করতে পারতাম, তাহলে আমিও আজ ভারতের অধিনায়ক হতে পারতাম।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.