সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের বিশ্বকাপ জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস এখনও চলছে। দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও তাতে শামিল। সুনীল গাভাসকর তো ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার জেমাইমা রডরিগেজের সঙ্গে গান করতে পর্যন্ত প্রস্তুত। কিন্তু ভারতের এই জয় কি ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ের সমান? সেটা মনে করেন না গাভাসকর। হঠাৎ কেন ভিন্নমত পোষণ করছেন সানি?
পুরুষদের ক্রিকেটে কপিল দেবের নেতৃত্বে ১৯৮৩-র বিশ্বজয়ের পর ভারতের ক্রিকেটে একটা জোয়ার আসে। মনে করা হচ্ছে, এবারে মহিলাদের সাফল্য ঠিক সেই কাজটা করবে। এর আগে ২০০৫ ও ২০১৭ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে গিয়ে হারতে হয়েছিল ভারতীয় মহিলা দলকে। স্বপ্নভঙ্গ সহ্য করতে হয়েছে ঝুলন গোস্বামী, মিতালি রাজদের। ফলে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে এবারের জয়টা ‘স্পেশাল’। তবে ১৯৮৩-র বিশ্বজয়ী দলের সদস্য গাভাসকরের মতটা অন্য রকম।
তিনি বলছেন, “কিছু লোক এই জয়কে ১৯৮৩ সালের পুরুষ দলের বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে তুলনা করার চেষ্টা করেছিলেন। পুরুষরা তার আগের বিশ্বকাপগুলিতে কখনও গ্রুপ পর্বের বেশি যেতে পারেনি। তাই নকআউট পর্ব থেকে শুরু করে সবকিছুই তাদের কাছে নতুন ছিল। কিন্তু মহিলাদের ইতিমধ্যেই ভালো রেকর্ড রয়েছে। এবারের দুর্দান্ত জয়ের আগে দুটি ফাইনালে খেলেছিল।”
তার মানে এই নয় যে গাভাসকর এবারের বিশ্বজয়কে ছোট করে দেখছেন। মহিলাদের ক্রিকেটকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সাহায্য করবে এবারের সাফল্য। তিনি আরও জানাচ্ছেন, “এই জয় মহিলা ক্রিকেটের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আরও বেশি মেয়েদের খেলায় নিয়ে আসবে। মহিলা প্রিমিয়ার লিগ ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। কারণ বাবা-মায়েরা এখন ক্রিকেটকে তাদের মেয়েদের জন্য একটা বিকল্প ক্যারিয়ারের হিসেবে দেখছেন। তাদের সমর্থন করে আরও বেশি এগিয়ে আসছেন।” স্পষ্টতই গাভাসকর শুধু তুলনায় বিশ্বাসী নন।
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের