IPL 2026

লক্ষ লক্ষ টাকায় ঘৃণার ব্যবসার ‘ডিল’! হেড-শ্রেয়সদের পরিবারকে আক্রমণের নেপথ্যে কারা?

পছন্দের ক্রিকেটার বা দলকে নিয়ে কোনও কথা শুনলে পালটা আক্রমণে নামেন ভক্তরা। এটা কি শুধুই ভালোবাসা? নাকি এই কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণের নেপথ্যে আছে একটা গোটা ইন্ডাস্ট্রি? লক্ষ লক্ষ টাকার 'ডিল' হয়?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৯:১৭

options
link
লক্ষ লক্ষ টাকায় ঘৃণার ব্যবসার ‘ডিল’! হেড-শ্রেয়সদের পরিবারকে আক্রমণের নেপথ্যে কারা?
হেনস্তার শিকার শ্রেয়স আইয়ার ও ট্র্যাভিস হেডের পরিবার।

বিরাট কোহলির সঙ্গে ঝামেলার জেরে সোশাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার ট্র্যাভিস হেডের পরিবার। কিংবা কেকেআর নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক রিল বানিয়ে চরম বিড়ম্বনায় শ্রেয়স আইয়ারের বোন শ্রেষ্ঠা! ক্রিকেট ভারতে ধর্মের মতো। পছন্দের ক্রিকেটার বা দলকে নিয়ে কোনও কথা শুনলে পালটা আক্রমণে নামেন ভক্তরা। এটা কি শুধুই ভালোবাসা? নাকি এই কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণের নেপথ্যে আছে একটা গোটা ইন্ডাস্ট্রি? লক্ষ লক্ষ টাকার ‘ডিল’ হয়? সেরকমই গোপন ‘চুক্তি’ ফাঁস করছেন এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি।

Advertisement

ব্যাপারটা ঠিক কী? সম্প্রতি আইপিএলের (IPL 2026) ম্যাচ শেষে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ক্রিকেটার ট্র্যাভিস হেডের সঙ্গে হাত মেলাননি বিরাট কোহলি। তারপর সোশাল মিডিয়ায় হেড ও তাঁর স্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ এমনকী হুমকিও দেওয়া হয়। পুরনো পারিবারিক ছবিতেও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়। প্রশ্ন ওঠে, এরা কি সত্যিই বিরাট কোহলির ভক্ত? কিংবা কেকেআরের বিরুদ্ধে ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর একটি রিল বানিয়েছিলেন শ্রেয়সের বোন শ্রেষ্ঠা। এখন অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে বা ছাত্রছাত্রীদের পর্যন্ত ফোন করে বিরক্ত করা হচ্ছে।

Advertisement

এরা কি ‘আবেগপ্রবণ ভক্ত’? নাকি কেউ বা কারা এদের পরিচালনা করে? আসলে সোশাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে একটা ‘বিষাক্ত’ ইন্ডাস্ট্রি চলে। যাদের কাজ ‘ঘৃণার ব্যবসা’ করা। এরা সংঘবদ্ধ ও টাকার বিনিময়ে কাজ করে। ভালোবাসার নামে একটা ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ তৈরি হয়েছে। এমনটাই মত এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির। সংবাদ সংস্থা পিটিআই’কে ওই ব্যক্তি বলেন, “এমন এজেন্সি আছে, যারা ২৫ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে কোনও প্লেয়ার বা তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ায়। মোটামুটি একটা পরিসংখ্যান দিয়ে দেওয়া হয়। এবার সেই বিষয়টা ট্রেন্ডিং করানোর দায়িত্ব তাদের। কতক্ষণ বা কতদিন ট্রেন্ড্রিং থাকবে, তার উপর রেট নির্ভর করবে।”

Advertisement

এখন সোশাল মিডিয়ায় প্লেয়ারদের লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার রয়েছে। প্রোফাইল ও সেগুলোর ব্যবসায়িক দিক সামলানোর বিভিন্ন সংস্থা আছে। কীভাবে ফলোয়িং বাড়বে, তার আলাদা পরিকল্পনা থাকে। ফ্যান ক্লাব তৈরি হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা প্রথমে ভক্তদের ভালোবাসা ছিল, তা পরে অন্যের উদ্দেশ্যে ঘৃণা দেখানোর অস্ত্র হয়ে যায়। একজনকে বড় করে দেখানো হয়। অন্যজনের উদ্দেশ্যে ঘৃণা ছড়ানো হয়। ভক্তরা হয়ে যায় ‘সৈন্যদল’। চলে নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি। যা একসময় প্লেয়ারদের পরিবারকেও আক্রমণ করে। বিশেষ করে আইপিএলের মরশুমে এরকম প্রচুর ‘ঘৃণার ব্যবসায়’ উদ্বিগ্ন অনেকেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.