Sanju Samson

‘শচীনকে দেখে শেখো’ বলেছিলেন বাবা, ‘ঈশ্বরে’র কাছেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মন্ত্র পান সঞ্জু!

শনিবার রাতেও ফোন করেন 'লিটল মাস্টার'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৮:২৯

options
link
‘শচীনকে দেখে শেখো’ বলেছিলেন বাবা, ‘ঈশ্বরে’র কাছেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মন্ত্র পান সঞ্জু!
'শচীন স্যারে' মুগ্ধ সঞ্জু।

তিনি ক্রিকেট থেকে সরে গিয়েছেন একযুগ আগে। কিন্তু রবিবাসরীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে তিনি না থাকলেও তাঁর ছায়া যেন উপস্থিত ছিল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় সঞ্জু স্যামসন নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর এই অসামান্য ফর্মের নেপথ্যে রয়েছে শচীন স্যারের হাত! এদিকে তাঁর বাবাও ছেলের সফলতার কথা বলতে গিয়ে উচ্চারণ করেছেন ‘লিটল মাস্টার’-এর কথা! জানিয়েছেন, ছেলের শৈশবে তিনি তাকে উদ্ভুত করতেন শচীন তেণ্ডুলকর ও রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যাটিং দেখিয়েই।

Advertisement

টি২০ বিশ্বকাপের ঠিক আগেই সঞ্জু স্যামসনের ফর্ম ছিল অত্যন্ত খারাপ। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একেবারেই খেলতে পারেননি তিনি। ঘরের মাঠে কিউয়িদের বিরুদ্ধে করেছিলেন মাত্র ৪৬ (৫ ইনিংসে)। সেই সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শচীন। সেকথা বলতে গিয়ে সঞ্জু জানাচ্ছেন, ”সত্যি বলতে কী সিনিয়র খেলোয়াড়রা আমাকে পথ দেখিয়েছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। গত দু’মাসে আমি ক্রমাগত শচীন স্যারের টাচে থেকেছি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গত অক্টোবরের সিরিজে আমি মাঠে ছিলাম না। মাইন্ডসেট ঠিক করতে সেই সময় থেকেই আমি ওঁর সংস্পর্শে আসি। স্যারের সঙ্গে দীর্ঘ কথা হয়েছে আমার। এমনকী গতকাল (শনিবার) রাতেও উনি আমাকে ফোন করে জানতে চান আমি ঠিক কেমন অনুভব করছি। ওঁর মতো কারও থেকে পরামর্শ পাওয়া- স্বচ্ছতার সঙ্গে খেলার আগের প্রস্তুতি, সতর্কতা ও গেম সেন্সের পরিচয় পেয়েছি আমি কৃতজ্ঞ।”

Advertisement

এদিকে সঞ্জুর বাবা স্যামসন বিশ্বনাথও জানিয়েছেন, তাঁর ছেলের জীবনে শচীনের প্রভাবের কথা। তিনি বলেন, ”সঞ্জু যখন ব্যাটিং শুরু করে, আমি ওঁকে বলতাম শচীন স্যার ও দ্রাবিড় স্যারের খেলা দেখতে। চার বছরের ছেলেটাকে আর কারও ব্যাটিং দেখতে দিতাম না। আমিই ওকে প্রশিক্ষণ দিতাম। আবার আমরা যখন একসঙ্গে খেলা দেখতাম শচীন স্যার ও রাহল স্যারের খেলাই দেখাতাম। বাচ্চাদের বলতাম, দেখো কেমন করে এই দুই মহান ক্রিকেটার খেলছেন, কীভাবে নিজেদের ব্যাটটা ব্যবহার করছেন।”

Advertisement

এবারের বিশ্বকাপে সঞ্জুর ফর্ম ছিল অবিশ্বাস্য। চারটি ম্যাচে সুযোগ না পেয়েও তিনি প্রতিযোগিতা শেষ করেছেন ৩২১ রানে। শেষ তিন ইনিংসে অপরাজিত ৯৭, ৮৯ ও ৮৯ রানের আতসবাজিতে ধাঁধিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের চোখ। সেই সঞ্জুই তাঁর সাফল্যের কারিগর হিসেবে তুলে ধরলেন কিংবদন্তি শচীনকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.