সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০৭ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডে কোনও সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। ২০২২ সালে শেষবার সিরিজ ২-২ অমীমাংসিত রেখে ফেরে টিম ইন্ডিয়া। আপাতত সিরিজে ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে টিম ইন্ডিয়া। ২৩ জুলাই থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে শুরু হতে চলেছে চতুর্থ টেস্ট। তার আগে রোহিত শর্মা বা বিরাট কোহলি নয়, টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট অধিনায়ক শুভমান গিলকে প্রাক্তন তিন কিংবদন্তির সঙ্গে তুলনা করলেন সুনীল গাভাসকর।
মিড-ডে’র এক কলামে গাভাসকর লেখেন, ‘এটা মনে রাখা দরকার, ভারত ইংল্যান্ডে মাত্র তিনবার টেস্ট সিরিজ জিতেছে। ১৯৭১ সালে অজিত ওয়াদেকরের নেতৃত্বে, ১৯৮৬ সালে কপিল দেবের নেতৃত্বে এবং ২০০৭ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে। তিনজনই দুর্দান্ত অধিনায়ক। ওয়াদেকরের ছিল আইকনিক স্টাইল। কপিলের আগ্রাসী এবং নিয়ন্ত্রিত মনোভাব। দ্রাবিড়ের ছিল চিন্তাশীল পদ্ধতি।’
গাভাসকর এ কথাও মনে করিয়ে দেন, বার্মিংহামে দ্বিতীয় টেস্টে গিল একেবারে শান্ত মেজাজে ছিলেন। যা দেখে তাঁকে অজিত ওয়াদেকর, কপিল দেব এবং রাহুল দ্রাবিড়ের মিশ্রণ মনে হয়েছিল সানির। তিনি লেখেন, ‘পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, এই তিনজন কিন্তু উত্তেজিত হত না সহজে। তারা সব সময় শান্ত ও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর থাকত। বার্মিংহামে শুভমানকে দেখে তিন পূর্বসূরির মিশ্রণ মনে হয়েছিল।’ উল্লেখ্য, বার্মিংহাম টেস্টে গিলের ব্যাট থেকে ২৬৯ এবং ১৬১ রান। যা অনেকের মতো গাভাসকরেরও মনে ধরেছে। আর ভারত সেই ম্যাচ জেতে ২৬৯ রানে।
ইতিহাসের দিকে তাকালে, ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত অজিত ওয়াদেকরের নেতৃত্বে। সেবার আন্ডারডগ হিসেবেই দেখা হয়েছিল ভারতকে। টানা ২৬ টেস্টে অপরাজিত ইংল্যান্ডকে তিন টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারায় ভারত। ১৯৮৬-তে ইংল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে পরাস্ত করে কপিল দেবের ভারত। ২০০৭ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জেতে টিম ইন্ডিয়া। কে বলতে পারে, শুভমানও হয়তো ইংল্যান্ডে এভাবেই ইতিহাস গড়বেন! পথটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়।
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?