টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Axar Patel

তাঁর হাতেই বন্দি ইংরেজ ব্যাটিং, কোন ক্যাচটা সেরা? সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম অক্ষর

অক্ষরের দু'টো ক্যাচও সেমিফাইনাল জয়ের প্রেক্ষিতে সমান গুরুত্বপূর্ণ, সমান মূল্যবান। দু'টো ক্যাচের একটাও গলে গেলে, কপালে দুঃখ থাকতে পারত ভারতের।

Advertisement
রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়
রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
তাঁর হাতেই বন্দি ইংরেজ ব্যাটিং, কোন ক্যাচটা সেরা? সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম অক্ষর
জোড়া ক্যাচ নিয়ে ম্যাচের নেপথ্য নায়ক অক্ষর। ছবি: সংগৃহীত।

অক্ষর প্যাটেল (Axar Patel) বেজার ফাঁপরে পড়েছেন। ওয়াংখেড়েতে বৃহস্পতিবার তাঁর ধরা দু’টো ক্যাচের কোনটাকে আগে রাখবেন, আর কোনটাকে পরে, কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না।
এটা অনস্বীকার্য যে সঞ্জু স্যামসনের ইনিংস, জশপ্রীত বুমরাহর বোলিংয়ের মতো অক্ষরের দু’টো ক্যাচও সেমিফাইনাল জয়ের প্রেক্ষিতে সমান গুরুত্বপূর্ণ, সমান মূল্যবান। প্রথমটা, ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের নেওয়া অবিশ্বাস্য ক্যাচ। যা অনেকটা দৌড়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছে গিয়ে ধরলেন তিনি। দ্বিতীয়টা, উইল জ্যাকসের ক্যাচ। সেটাও অক্ষর ধরলেন বাউন্ডারি লাইনে, শিবম দুবের সঙ্গে ‘রিলে’ করে। দু’টো ক্যাচের একটাও গলে গেলে, কপালে দুঃখ থাকতে পারত ভারতের।

Advertisement

“দু’টো ক্যাচ দু’ রকম। হ্যারি ব্রুকের ক্যাচটা ব্যক্তিগত ভাবে আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি থাকবে। কারণ ওই ক্যাচটা ধরা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু আবার আপনি যদি ম্যাচ সিচুয়েশন দেখেন, খেলার পরিস্থিতি খেয়াল করেন, তা হলে দেখবেন যে জ্যাকসের ক্যাচের সময় ইংল্যান্ডের একটা পার্টনারশিপ হয়ে গিয়েছিল। যা আমাদের ভাঙতে হত। তাই দু’টোর মধ্যে তুলনা করা আমার পক্ষে কঠিন। তবে হ্যাঁ, ব্রুকের ক্যাচটা ধরা বেশি কঠিন ছিল,” বৃহস্পতিবার সেমিফাইনাল শেষে মিক্সড জোনে এসে বলে গেলেন অক্ষর। একপ্রকার স্বীকার করে যে, জ্যাকসেরটা নয়। ইংল্যান্ড অধিনায়কের ক্যাচটাই তাঁর কাছে ব্যক্তিগত ভাবে সেরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৫৩ রান তুললে কী হবে, শেষ পর্যন্ত দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে ইংল্যান্ড। কখনও কি মনে হয়েছিল যে, এত রান করার পরেও খেলা হাতের বাইরে চলে যেতে পারে? “না। আসলে আমরা জানতাম যে শেষ দিকে অর্শদীপ সিং আর জশপ্রীত বুমরাহ দু’টো করে ওভার করবে। যারা কি না অতীতে একাধিক ক্ষেত্রে আমাদের বল হাতে জিতিয়েছে। তাই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ দেখিনি আমরা। আর ঠিক সেটাই হল,” যোগ করেন অক্ষর।

Advertisement

কোচ গৌতম গম্ভীর টিমকে ফিল্ডিংয়ের সময় কী বার্তা দিয়েছিলেন, সেটাও বলে গেলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। বললেন, “বার্তাটা খুব সহজ ছিল। আমাদের বলা হয়েছিল যে, যখনই ইংল্যান্ডের কোনও নতুন ব্যাটার আসবে ব্যাট করতে, সে আক্রমণেরই পথ নেবে। কারণ আড়াইশো রান তুলতে হবে ওদের। টিম হাডলের সময় আবার সূর্য আমাদের বলে যে, আবেগকে বশে আনতে। দেখতে, আবেগ যাতে কোনও ভাবে খেলার উপর নিয়ন্ত্রণ জারি না করতে পারে। ওরা যদি নেমে ভালো শট খেলে, ঠিক আছে। তাতে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। শুধু নিজেদের পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে। উইকেট পড়লে বেশি উৎসব করা চলবে না। আবার দু’টো চার বা ছয় খেয়ে গেলেও চিন্তায় পড়ে যাওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি যেমনই হোক, নিজেদের পরিকল্পনা বদল করা যাবে না। আমরা বলাবলি করছিলাম যে, সেমিফাইনালের মতো প্রেশার ম্যাচে শান্ত থাকাটাই সবচেয়ে জরুরি।” যা ভারত থেকেছে। এবং শেষ পর্যন্ত জিতেই মাঠ ছেড়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.