টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
T20 World Cup Final

চুপ করানো নয়! ‘হৃদয় ভেঙে দেব’, ফাইনালের আগে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে নতুন হুঙ্কার স্যান্টনারের

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে চুপ করিয়ে দেবেন। বাস্তবেও সেটাই হয়। তারপর থেকে বহুবার ভারতকে 'চুপ করিয়ে দেব' হুমকি দিয়েছে বিপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৪:২৮

options
link
চুপ করানো নয়! ‘হৃদয় ভেঙে দেব’, ফাইনালের আগে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে নতুন হুঙ্কার স্যান্টনারের
টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড। ফাইল ছবি।

আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। তারপরেই টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড। খেতাবি লড়াইয়ের আগে বাগযুদ্ধে নতুন স্ট্র্যাটেজি নিলেন কিউয়ি অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। বললেন, আহমেদাবাদের জনতাকে চুপ করিয়ে দেওয়া নয়, তাঁদের হৃদয় ভেঙে চুরমার করে বিশ্বকাপ জিতে নেওয়াটাই নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য। স্পষ্ট জানালেন, ভারতকে হারাতে চায় কিউয়ি ব্রিগেড।

Advertisement

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে চুপ করিয়ে দেবেন। বাস্তবেও সেটাই হয়। তারপর থেকে বহুবার ভারতকে ‘চুপ করিয়ে দেব’ হুমকি দিয়েছে বিপক্ষ। স্যান্টনার অবশ্য চুপ করানোর চেয়েও নির্দয় বার্তা দিলেন। ফাইনালের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, “ট্রফি জেতার জন্য ছোটখাট চেষ্টাগুলোও করন। ট্রফি জেতার জন্য কিছু হৃদয় ভাঙতে হলেও সমস্যা নেই।”

Advertisement

সাংবাদিকে ঠাসা সম্মেলনে স্যান্টনার আরও জানান, “এখনও উইকেট দেখিনি। তবে রান উঠবে অনেক। বিশ্বকাপের আগে পাঁচটা ম্যাচ খেলেছি সেখানেও ভালো পিচ ছিল। টুর্নামেন্টে আমরা ধাপে ধাপে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছি। প্রথমে গ্রুপ পর্ব, সেখান থেকে সুপার এইট, তারপর সেমিফাইনাল। গোটা টিম খুবই উত্তেজিত। বিশেষ করে গত ম্যাচটা যেভাবে জিতেছি তাতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ভারতও একইভাবে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে সেমিফাইনাল থেকে।” উল্লেখ্য, ২০২৩ ফাইনালে স্পিন সহায়ক উইকেট বানিয়ে ভারতের ভরাডুবি হয়েছিল। এবার একেবারে পাটা পিচ থাকছে আহমেদাবাদে।

Advertisement

ভারতের প্রশংসা করতে স্যান্টনার এতটুকু কার্পণ্য করেননি। তাঁর মতে, গোটা টুর্নামেন্টে ভারতের প্রত্যেকেই বল এবং ব্যাট হাতে প্রয়োজনের সময়ে ভালো পারফর্ম করেছেন। বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম খারাপ থাকলেও সেটা কিউয়িদের কোনও অ্যাডভান্টেজ দেবে না। বরং বিশ্বকাপের অন্যান্য ম্যাচগুলোর মতোই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ফাইনালে খেলবেন টিম সাইফার্টরা। গত ১১ বছরে পাঁচবার আইসিসি ফাইনালে উঠেছে কিউয়িরা। মাত্র একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ষষ্ঠবারে ছবিটা পালটাতে চান স্যান্টনার। বলছেন, “আমরা ফেভারিট নই। কিন্তু নিজেদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করলে ট্রফি জেতার মতো পরিস্থিতি আসতেই পারে আমাদের।” আবারও কি আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে ভাঙবে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়? নাকি এবার পালটে যাবে ‘অপয়া’ ইতিহাস?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.