টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Rinku Singh

‘এখন যদি আপনি থাকতেন’, বিশ্বজয়ের পরই প্রয়াত বাবাকে নিয়ে চোখে জল আনা পোস্ট রিঙ্কুর

'আপনাকে খুব মিস করব, জীবনের বড় আনন্দেও আপনার অভাব থাকবে।' বিশ্বজয়ের পর প্রয়াত বাবাকে খোলা চিঠি লিখলেন রিঙ্কু সিং। যা দেখে চোখে জল ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের। বিশ্বকাপের মাঝেই প্রয়াত হন ভারতীয় ক্রিকেটারের বাবা খানচাঁদ সিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
‘এখন যদি আপনি থাকতেন’, বিশ্বজয়ের পরই প্রয়াত বাবাকে নিয়ে চোখে জল আনা পোস্ট রিঙ্কুর
প্রয়াত বাবাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট রিঙ্কুর। ছবি: সোশাল মিডিয়া

‘আপনাকে খুব মিস করব, জীবনের বড় আনন্দেও আপনার অভাব থাকবে।’ বিশ্বজয়ের পর প্রয়াত বাবাকে খোলা চিঠি লিখলেন রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। যা দেখে চোখে জল ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের। বিশ্বকাপের মাঝেই প্রয়াত হন ভারতীয় ক্রিকেটারের বাবা খানচাঁদ সিং। কিন্তু পিতার দাহকার্য সম্পন্ন করেই ফের দলে যোগ দেন রিঙ্কু। কেন? রিঙ্কু নিজেই সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, ‘বাবাই শিখিয়েছে সবার আগে কর্তব্য। সেটা করতেই ফিরে গিয়েছিলাম।’

Advertisement

এক বছর আগে লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন রিঙ্কুর বাবা। গত এক বছরে সমস্যা বাড়তে বাড়তে চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ভারতের সুপার এইটের ম্যাচের সময়ই প্রয়াত হন খানচাঁদ। বিশ্বকাপের মাঝে যখন বাবার অসুস্থতার খবর পান, তখন বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু পরে দেশের স্বার্থে দলের সঙ্গে যুক্ত হন। সেটাই যে শেষ দেখা হবে, তা হয়তো ভাবতে পারেননি ভারতের তারকা ব্যাটার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বকাপ শেষ। ভারতের মাথায় তিনটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা। রিঙ্কু অনেক ম্যাচেই প্রথম একাদশে ছিলেন না। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে নেমে রান বাঁচিয়েছেন। বাবার মৃত্যুযন্ত্রণা বুকে নিয়েই বিশ্বজয়ী হন রিঙ্কু। অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় বাবার সঙ্গে ছবি দিয়ে ভারতীয় ‘ফিনিশার’ লিখেছেন, ‘এরকম কখনও হয়নি যে আপনার সঙ্গে এতদিন কথা বলিনি। আমি জানি না, আপনাকে ছাড়া কীভাবে জীবন চলবে? জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আপনার প্রয়োজন পড়বে। আপনি শিখিয়েছেন, কর্তব্য সবার আগে। তাই মাঠে আপনার স্বপ্নপূরণের চেষ্টা করছিলাম। এখন তো স্বপ্নপূরণ হয়ে গিয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, যদি আপনি আমার পাশে থাকতেন। আপনাকে মিস করব, খুব মিস করব। জীবনের বড় আনন্দেও আপনার অভাব থাকবে।’

Advertisement

রিঙ্কুর বাগদত্তা প্রিয়া সরোজও সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ের মধ্যেও আমি দেখেছি একজন ছেলেকে তাঁর বাবার স্বপ্ন ও দেশের জন্য লড়াই করে যেতে। এই শক্তি একজন চ্যাম্পিয়নেরই থাকে। ভারতীয় দলকে অভিনন্দন। আর রিঙ্কুও দেখিয়ে দিল আসল শক্তি কীরকম হয়।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.