টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
IND Vs ENG

‘সেরার মেডেলটা প্রাপ্য বুমরাহরই’, ম্যাচ জিতিয়ে বললেন সঞ্জু, মুখ খুললেন অধরা সেঞ্চুরি নিয়েও

ওয়াংখেড়েতে 'গ্র্যান্ড শো'-এর পর ম্যাচের সেরাও হয়েছেন। তবে ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে না নিয়ে জশপ্রীত বুমরাহকে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। তাছাড়াও মুখ খুললেন অধরা সেঞ্চুরি নিয়েও। কী বলেছেন ভারতীয় ওপেনার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৩:৪৭

options
link
‘সেরার মেডেলটা প্রাপ্য বুমরাহরই’, ম্যাচ জিতিয়ে বললেন সঞ্জু, মুখ খুললেন অধরা সেঞ্চুরি নিয়েও

সঞ্জু-ঝড় জারি রইল ওয়াংখেড়েতেও। কলকাতায় যেখানে শেষ করেছিলেন, ঠিক সেখান থেকেই মুম্বইয়ে শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। ৪২ বলে তাঁর ৮৯ রানের ইনিংসটাই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। এমন ‘গ্র্যান্ড শো’-এর পর ম্যাচের সেরাও হয়েছেন। তবে ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে না নিয়ে জশপ্রীত বুমরাহকে দিলেন সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। তাছাড়াও মুখ খুললেন অধরা সেঞ্চুরি নিয়েও। 

Advertisement

ম্যাচের পর সঞ্জু বলেন, “পুরো কৃতিত্ব বুমরাহের। ও যেভাবে বোলিং করল, তা সত্যিই অসাধারণ। কোনও তুলনা হয় না ওর। এমন বোলার তো লাখে একজন হয়। আমি মনে করি, ম্যাচসেরার মেডেল ওরই পাওয়া উচিত ছিল। আড়াইশোর বেশি রান করেও চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। হেরেও যেতে পারতাম। ওর ওই চারটে ওভারই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিল। নাহলে তো হেরে যেতাম।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেমিফাইনালে চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। সেই সময় ভয় ধরানো ব্যাটিং করছিলেন বেথেল। কঠিন সময়ে মাথা ঠান্ডা রেখে স্মরণীয় সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। একশো চল্লিশ কোটি ভারতবাসী তখন যেন সিঁদুরে মেঘ দেখছেন। কিন্তু কবির কথায় ‘মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে’। সূর্যের ঔজ্জ্বল্য আনলেন স্বয়ং বুমরাহ। নিজের তৃতীয় ওভারে দিলেন মাত্র ৮ রান। এরপর ১৮তম ওভারে যখন বল করতে এলেন, ইংল্যান্ডের (ENG) দরকার ১৮ বলে ৪৫। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটুকু রান হয়েই যায়। কিন্তু কেন তিনি বিশ্বের সেরা পেসার, প্রমাণ করে দিলেন। দিলেন মাত্র ৬ রান। ওই ওভারটাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিল। সেই কারণেই জয়ের কৃতিত্ব টিম ইন্ডিয়ার ‘বোলিং ফিগারহেড’-কে দিতে কার্পণ্য করলেন না সঞ্জু।

Advertisement

ওপেনিং সঙ্গী অভিষেক শর্মাকে নিয়ে সঞ্জু বলেন, “ওর ফর্মে ফেরা সময়ের অপেক্ষা। আমার মনে হয়, ফাইনাল ওরই হতে চলছে।”

নিজের ফর্ম নিয়েও কথা বলেছেন সঞ্জু। “গত ম্যাচ থেকে ফর্ম ফিরে পেয়েছি। এই ম্যাচেও যা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। ওয়াংখেড়েতে বড় রান তাড়া করেও জেতা যায়। ইংল্যান্ড প্রায় জিতেই যাচ্ছিল। তাই হয়তো বড় ম্যাচে বড় রান করতেই হত। সবচেয়ে আনন্দের আমরা শেষ পর্যন্ত জিতেছি।” বলে দিচ্ছেন ৩১ বছর বয়সি ক্রিকেটার। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ছিলেন না সঞ্জু। ওই সময়টায় নানান উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন।নিজের পছন্দের জায়গা হারিয়েছেন। দল থেকে বাদ পড়েছেন। আবার ফিরে এসেছেন। খারাপ সময় দল তাঁর পাশে ছিল। কোচ, অধিনায়কের ভরসার মর্যাদা রেখে এখন বেজায় খুশি সঞ্জু।  

আর অধরা সেঞ্চুরি নিয়ে বললেন, “ওসব নিয়ে ভাবিনি। এখানকার পিচে প্রচুর রান হয়। কীভাবে আরও বেশি রান তোলা যায়, সেই চিন্তাই মাথায় ছিল। টেস্ট কিংবা ওয়ানডেতে অনেক সময় পাওয়া যায়। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সেটা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত মাইলফলকের কথা কখনও চিন্তা করি না। দলের জন্যই খেলি। দলের পরিবেশও খুব ভালো। প্রত্যেকে উপভোগ করছে। নিউজিল্যান্ড সিরিজে জোরে শট মারতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু এখন টাইমিংয়ের উপর জোর দিয়েছি। ওই সময় কিন্তু দলকে একা টেনেছে অভিষেক। যাইহোক, দলকে জিতিয়ে খুবই ভালো লাগছে।” তাছাড়াও অভিষেক শর্মার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর মন্তব্য, “অভিষেকের ফর্মে ফেরা সময়ের অপেক্ষা। আমার মনে হয়, ফাইনাল ওরই হতে চলছে।” এখন গোটা দলের লক্ষ্য ফাইনাল জয়। সেই ম্যাচেও ঝড়ের সাক্ষী হোক সঞ্জুর ব্যাট, চাইছে অসমুদ্রহিমাচল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.