সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোচ হিসেবে ইস্টবেঙ্গলে নিজের প্রথম ইনিংসেই কলকাতার ফুটবলভক্তদের পাল্স বুঝে গিয়েছিলেন ট্রেভর জেমস মর্গ্যান৷ ব্রিটিশ কোচ জানেন, দল যতই ভাল খেলুক, না জিতলে কোনও মূল্য পাওয়া যাবে না৷ তাই দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল পারফরম্যান্সের থেকে জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন কোচ৷ ঘরোয়া লিগে প্রথম ম্যাচে সংবাদ প্রতিদিন ভবানীপুরকে হারিয়ে তিন পয়েন্ট ঝুলিতে ভরেছিল ইস্টবেঙ্গল৷ এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না৷ কিন্তু পারফরম্যান্স? মেহতাব, রফিকদের খেলা কি মন ভরালো দর্শকদের? তেমনটা কিন্তু এদিনও বলা যাচ্ছে না৷
প্রথমার্ধে দু’টো দুরন্ত গোল৷ প্রায় একই পজিশন থেকে হেডারে গোল করলেন রাহুল ও অর্ণব৷ তাও আবার দু’টোই মেহতাবের কর্নার কিক থেকে৷ পরপর দেখলে অ্যাকশান রিপ্লেও মনে হতে পারে৷ আর সেই সঙ্গেই দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়৷ পিয়ারলেস বক্সে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েও গোল মুখ খুলতে ব্যর্থ ডংরা৷ এত গেল প্রথমার্ধ৷ কিন্তু তারপর? দ্বিতীয়ার্ধে তো মনে রাখার মতো কিছুই হল না৷ ডিকার অভাবে মাঝমাঠের সাপলাই লাইন কার্যত বন্ধই হয়ে গিয়েছিল৷ ফলে আক্রমণের ঝাঁঝ যেন ক্রমেই ফিকে হয়ে গেল৷ আদিলেজা, অবিনাশদের দ্বিতীয়ার্ধের পারফরম্যান্সে শুধু হতাশই নয়, অবাকও হয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল৷
ভবানীপুর ম্যাচের পর মর্গ্যানের চিন্তা ছিল ডিফেন্স নিয়ে৷ এদিনের পর মাঝমাঠ নিয়েও যে তাঁকে নতুন করে অঙ্ক কষতে হবে, তা আর বলে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না৷ স্বস্তি একটাই৷ ফুজা তোপের ছেলেদের বিরুদ্ধে যে লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিলেন মেহতাবরা, তা পূরণ হয়েছে৷ টানা দু’ম্যাচ জিতে লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড৷
টালিগঞ্জের সঙ্গে ড্র আর এরিয়ানের বিরুদ্ধে জয়ের ফলে ভাল জায়গাতেই দাঁড়িয়ে ছিলেন নবিরা৷ তবে এদিন তাঁরা সেভাবে নজর কাড়তে পারলেন না৷ অবনমনের চাপটা তাই রয়েই গেল৷
পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে কি আরও অনায়াসে জেতা উচিত ছিল ইস্টবেঙ্গলের? ডার্বিতে এই দল জিততে পারবে তো? দ্বিতীয় ম্যাচের পর ময়দানে কিন্তু এসব আলোচনা শুরু হয়ে গেল৷
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা