স্টাফ রিপোর্টার: খালিদ জামিল মাঠে এলেন। কিন্তু প্র্যাকটিস করালেন সুভাষ ভৌমিক। আর এভাবেই সুভাষ ফের বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আর যাই হোক মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য নন। অর্থাৎ চুপচাপ সাইডলাইনের ধারে বসে সময় কাটাবেন না। খালিদ তাঁকে সমঝে চলবেন। তিনি না। বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনের এটাই সারসংক্ষেপ।
২৪ ঘণ্টা আগে সুভাষ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, খালিদ নন, এবার থেকে তিনি দলের দায়িত্ব সামলাবেন। গত দু’দিন ধরে ইস্টবেঙ্গলের প্র্যাকটিস শুরু হয়ে গিয়েছে। সুভাষ মাঠে নেমে পড়েছেন। নেমে পড়েছেন এডু, কাটসুমিরাও। কিন্তু এক মুহূর্তের জন্য দেখা যায়নি কোচ খালিদ জামিলকে। তিনি কখনও নাকি বোঝানোর চেষ্টা করেছেন ছেলে অসুস্থ। কখনও নিজেকে তুলে ধরেছেন অসুস্থতার তালিকায়। ক্লাবকর্তারা বারবার ফোন করেও তাঁর না আসার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অনেকে তাই ধরে নিয়েছিলেন, খালিদ বোধহয় আর প্র্যাকটিসে আসবেন না। সকলের অজান্তে পাড়ি দিয়েছেন মুম্বইয়ের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার অবশ্য সেই জল্পনার অবসান ঘটল। কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না সুপার কাপে দলকে নিয়ে যাবেন কে? সুভাষ না খালিদ?
[আম্বেদকরকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য, হার্দিক পাণ্ডিয়ার বিরুদ্ধে FIR দায়ের]
এদিন সকালে প্র্যাকটিসে এসেছিলেন খালিদ। ড্রেসিংরুমে যথারীতি ড্রেসও করেন। সকলে ধরে নিয়েছিলেন, এবার বোধহয় খালিদ মাঠে নামবেন। অবধারিতভাবে সামনে এসে পড়বেন সুভাষ। তখন দু’জনের কাজিয়া কোথায় গিয়ে ঠেকে এটাই ছিল দেখার। কিন্তু দেখা গেল সেসব কিছুই হল না। খালিদ ড্রেসিংরুমে সেই যে এসে ঢুকলেন আর বেরোননি। মাঠে নেমে যথারীতি দলকে নিয়ে প্র্যাকটিস করালেন সুভাষ। খালিদ স্রেফ ড্রেসিংরুমে পায়চারি করে প্র্যাকটিসের শেষে বেরিয়ে যান। তবে সুভাষ মাঠ ছাড়ার আগে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন, তিনি কোনও বেয়াদপি সহ্য করবেন না। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এদিন সুভাষ কোনও মন্তব্য করতে চাননি। খালিদ নিয়ে সাংবাদিকদের পীড়াপীড়িতে তিনি একটি ইঙ্গিতবহ মন্তব্য করে যান। কী সেই মন্তব্য? “আজ একটু গরম দিলাম। কাল দেব মলম।” শুধু এটুকু বলেই বেরিয়ে যান সুভাষ। তারমানে ধরেই নেওয়া যায় মুম্বইবাসীকে বুঝিয়ে দেবেন, ঠিকঠাক পথে চলে। নাহলে তোমার কপালে দুঃখ আছে। অর্থাৎ সুপার কাপে তুমি স্রেফ দর্শকের ভূমিকায় থাকবে। দলের এক সিনিয়র ফুটবলার বলে গেলেন, “এমন অদ্ভুত পরিস্থিতির সামনে কখনও পড়িনি। ক্লাব এই ব্যাপারটা ঠিক করে এগোতে পারলে ভাল করবে। এমনিতেই সুপার কাপে আমরা কঠিন দলগুলোর বিরুদ্ধে নামব। সেখানে যদি দুই কোচের ঠেলায় আমাদের অবস্থা কাহিল হয় তাহলে কখন খেলায় মন দেব?”
[খালিদ ফার্গুসন না মোরিনহো? লাল-হলুদ কোচকে কটাক্ষ সুভাষের]
সর্বশেষ খবর
-
সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পরই বিদেশে রঙিন মেজাজে কোয়েল, টাইমস স্কোয়ারে কী করলেন?
-
‘সর্বভারতীয় নয়, এখন কালীঘাট তৃণমূল!’ বিধানসভায় কটাক্ষ শোভনদেবকে, পেলেন ‘পরামর্শ’
-
‘সংবাদের শিরোনামে থাকার চেষ্টা’, মহুয়ার আপত্তিকর মন্তব্যে বিঁধলেন জগন্নাথ
-
‘আমাদের দেশে বাঁচাও কঠিন,’ যুদ্ধবিধ্বস্ত কঙ্গোয় শান্তি ফেরাতে ফুটবলই অস্ত্র উইসাদের
-
পদ্মশ্রী গোকুলচন্দ্র দাসের উদ্যোগে ঢাকি অ্যাকাডেমির প্রস্তাব, বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের আশ্বাসে আশাবাদী শিল্পীরা