কাটসুমি-আমনা যুগলবন্দিতে মাঝমাঠে তুফান, সুপার কাপের শেষ আটে ইস্টবেঙ্গল

হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় মুম্বই সিটি এফসির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৯, ১২:৪৯

options
link
কাটসুমি-আমনা যুগলবন্দিতে মাঝমাঠে তুফান, সুপার কাপের শেষ আটে ইস্টবেঙ্গল

ইস্টবেঙ্গল- ২ (কাটসুমি, আমনা)

Advertisement

মুম্বই সিটি এফসি- ১ (এমানা)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্র্যাকটিসে ঝামেলা অতীত। বৃহস্পতিবার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঝমাঠে ভেলকি দেখালেন কাটসুমি-আমনা জুটি। আর সেই যুগলবন্দিতেই কুপোকাত মুম্বই সিটি এফসি। লক্ষ্মীবারে কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে মুম্বইকে ২-১ গোলে হারিয়ে সুপার কাপের শেষ আটে চলে গেল ইস্টবেঙ্গল। বলবন্তরা বহু চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে ব্যর্থ। চিরশত্রু মোহনবাগান আগেই কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গিয়েছে। এদিন জেতার নেশায় বুঁদ ছিলেন সুভাষ-খালিদের ছেলেরা। অল্পের জন্য আই লিগ তাঁবুতে ঢোকেনি। তাই সুপার কাপ জিতে জ্বালা জুড়োতে মরিয়া ছিল লাল-হলুদ শিবির। সমর্থকরাও দলের জয়ের আশায় ছিলেন। যোগ্য দল হিসাবেই এদিন জয়ী হয়ে মাঠ ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement
[জেতার নেশায় বুঁদ ইস্টবেঙ্গল, শেষ আটে যাওয়াই পাখির চোখ সুভাষ-খালিদের]

যেভাবে হোক ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়াই পাখির চোখ করে ফেলেছিলেন সুভাষ-খালিদ জুটি। মুম্বই সিটি এফসি আহামরি দল নয়। এবারের আইএসএল লিগ টেবিলে সাত নম্বর স্থান পেয়েছিল। তেমন সুবিধে করতে পারেনি। সেই সঙ্গে দলের অধিকাংশ বিদেশি পাড়ি দিয়েছেন বাড়ি। মাত্র দু’জন বিদেশি এখন তাদের সম্বল। এই অবস্থায় চাপের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে সাপ মারতে চেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল থিঙ্ক ট্যাঙ্ক। সেরা অস্ত্র মাঝমাঠ দিয়েই প্রতিপক্ষকে কাবু করার রণকৌশল সফল। এদিন প্রথামার্ধে অবশ্য মুম্বইয়ের এমানার গোলে পিছিয়ে পড়ে পদ্মাপাড়ের ক্লাব। ১৩ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে বার কাঁপানো শট এমানার। তারপর বারে লেগে বল জড়িয়ে যায় জালে। তখনই প্রমাদ গুনেছিলেন সমর্থকরা। একেই নক আউট। তায় যদি হেরে যায় তাহলে তো সরাসরি বিদায়। কিন্তু কাটসুমি ২৬ মিনিটে দুর্দান্ত হেডারে সমতায় ফেরান। দায়বদ্ধতা কী জিনিস তা কাটসুমি বারবার দেখিয়েছেন। এদিনও তার অন্যথা হয়নি।

[গোয়ার কাছে লজ্জার হার, সুপার কাপ থেকে বিদায় এটিকে’র]

বিরতির পর চাপ বাড়াতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। মুম্বইয়ের রক্ষণভাগে লাগাতার আক্রমণ। ফল মেলে ৭৩ মিনিটে। মুম্বইয়ের গোলকিপার অমরিন্দরের সেভ পায়ে এসে জমা হয় আমনার। সিরিয়ান মিডফিল্ডার কোনও ভুল করেননি গোল করতে। ম্যাচের শেষ মিনিট পর্যন্ত সমতায় ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে মুম্বই। কিন্তু ভাগ্যদেবী সহায় হয়নি বলবন্ত সিংদের। শেষ হাসি হাসে ইস্টবেঙ্গলই। ম্যাচ জিতে বেশ কিছুটা চাপমুক্ত হলেন কোচ খালিদ জামিল।

[চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোনাল্ডোর বিস্ময় গোলে ঘোর কাটছে না ফুটবল বিশ্বের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.