লড়াই হবে সমানে সমানে, মহুয়াকে বার্তা কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের

জলুবাবুর বাড়ি গিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ২১:১৭

options
link
লড়াই হবে সমানে সমানে, মহুয়াকে বার্তা কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের
ফাইল ছবি

শুভময় মণ্ডল: প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে টক্কর হবে সমানে সমানে। ভোট প্রচারে পুরোদমে নামার আগে সংবাদ প্রতিদিন ডট ইনকে এমনটাই জানালেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। প্রাক্তন ফুটবলার জানালেন, ফুটবলের ময়দানে যখন খেলতেন তখনও চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসতেন। রাজনীতিতেও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই এবারও চ্যালেঞ্জ স্বীকার করে নিয়েছেন। লোকসভায় প্রার্থী হবেন জানতেন? শুক্রবার তিনি ফোনে জানালেন, ‘একটা আভাস পেয়েছিলাম। সারপ্রাইজড নই। মানুষের চোখে যদি যোগ্য হই তবে জিতব আশা করছি।’ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী করিমপুরের বিধায়ক মহুয়া মৈত্র। জাতীয় রাজনীতিতে ছাপ রয়েছে তাঁর। মহুয়ার সঙ্গে লড়াইকে কীভাবে দেখছেন, এর উত্তরে প্রাক্তন গোলকিপারের মন্তব্য, ‘উনি ভাগ্যবান যে বিদেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছেন। ওনার সম্পর্কে শুনেছি। লড়াইটা সমানে সমানে হবে।’

Advertisement

বৃহস্পতিবার দোলের দিন সন্ধ্যায় বিজেপির প্রার্থীতালিকা প্রকাশ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা। অধিকাংশ জায়গায় ভূমিপূত্রকে বা সংগঠনের পুরনো নেতাকে প্রার্থী করার দাবি তুলতে থাকেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। কৃষ্ণনগরেও সেই বিক্ষোভের আঁচ পড়েছে। অনেকদিন ধরেই স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে দাবি উঠছিল, ভূমিপূত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ সত্যব্রত ওরফে জলু মুখোপাধ্যায়কে প্রার্থী করতে হবে। জলুবাবু নিজেও প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু দল প্রার্থী হিসাবে কল্যাণ চৌবের নামে শিলমোহর দিয়েছে। স্বভাবতই বিক্ষুব্ধ স্থানীয় নেতৃত্ব। সেই বিষয়টাকে খুব একটা আমল দিচ্ছেন না কল্যাণ। তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবারই জলুবাবুর বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। বললেন, ‘জলুবাবুর বাড়ি গিয়েছিলাম। তিনি এলাকার খুবই জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। তাঁর আশীর্বাদ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও তাঁর পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে চাই।’ জানালেন, রবিবার থেকে পুরোদমে প্রচারে নামছেন। মাটি কামড়ে পড়ে থাকবেন।

Advertisement

আরও পড়ুন ‘নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে সিবিআই’, ফেসবুকে বিস্ফোরক প্রাক্তন বিজেপি নেতা

Advertisement

সমগ্র দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে উন্নয়ন করেছেন তার ভিত্তিতেই মানুষ ভোট দেবেন। লড়াইটা মহুয়া মৈত্র বনাম কল্যাণ চৌবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে মত তাঁর। বরং লড়াইটা তৃণমূল বনাম বিজেপির। যেখানেই কাজই শেষ কথা বলবে। লোকসভায় ৫৪৩টি কেন্দ্রেই প্রধানমন্ত্রীর কাজকে দেখেই ভোট হবে। সেখানে তিনি একটি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র। লড়াইটা কেমন হবে তার উত্তরে কল্যাণের মন্তব্য, গ্রাম বাংলায় ঘোরাঘুরি করলেই বুঝতে পারবেন লড়াইটা সমানে সমানেই হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.