বিশ্বকাপে বোধনের বাকি ২ দিন, ‘রাগী’ রোনাল্ডোকেই মাঠে চাইছে পর্তুগাল

রাগী রোনাল্ডোই বদলে দিতে পারে পর্তুগালের ভাগ্য?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৮, ১৫:০৪

options
link
বিশ্বকাপে বোধনের বাকি ২ দিন, ‘রাগী’ রোনাল্ডোকেই মাঠে চাইছে পর্তুগাল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাঙ্গরি না অ্যাঙ্গরি, কোনটা বলতে চাইলেন পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো স্যান্টোস? পরিস্কার করে দিলেন, “অ্যাঙ্গরি। ভেরি ভেরি অ্যাঙ্গরি।” কেন এত রাগ জমে আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর, তার স্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা অবশ্যই নেই। এত গোল, এত ট্রফি। তার পরও তাঁর ‘অ্যাটিটিউড’ নিয়ে পর্তুগিজ মিডিয়ার প্রবল আপত্তি। হয়তো সেই কারণেই ক্রাতোভোয় পর্তুগাল শিবিরে প্র‌্যাকটিসেই কোনও ব্যাপার মনমতো না হলেই প্রবল আপত্তি জানাচ্ছেন। প্র‌্যাকটিসের প্রতিটি বিভাগে তাঁর উপস্থিতি  দারুণভাবে চোখে পড়ছে। যে কাজটা আসলে করার কথা কোচের।

Advertisement

[চোট পাওয়া কাঁধ ধরেই ঝুলোঝুলি ফ্যানের, সালাহর খ্যাতি নিয়ে বিড়ম্বনায় মিশর]

Advertisement

তা হলে কোচ কী করছেন? ক্রাতোভোয় এগারো হেক্টর এলাকা জুড়ে থাকা স্যাটাম ট্রেনিং সেন্টারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মিডিয়া প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বললেন। যেমন বললেন, রাশিয়ার সবচেয়ে নীরস একটা ভেনুতে দলের শিবির বাছার কারণ রোনাল্ডোর ইচ্ছা। এমন একটা ভেনুর কথা বলেছিলেন, যেটা মস্কোর কাছে কোনও বিমানবন্দর ঘেঁষা হবে। খুঁজেপেতে তাই নাম উঠল ক্রাতোভোর। যা কিনা মস্কো থেকে মাত্র চল্লিশ কিলোমিটার। আর একেবারেই ঝুকোভস্কি এয়ারপোর্টের কাছে। ফলে যাতায়াতের সুবিধা।

Advertisement

তা হলে রাগ কেন রোনাল্ডোর? স্যান্টোস বললেন, “কে এসব রটাচ্ছে কে জানে? জাতীয় শিবিরে মন নেই? আমার তো মনে হয়নি। আমার স্বাভাবিকই মনে হয়েছে। এবং দারুণ ফোকাসড। ক্লাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে আদৌ চিন্তায় আছে বলে তো মনে হয়নি। জাতীয় দলের শিবিরে থেকে অন্য কথা ভাবছে আমার কখনও মনে হয়নি। ও জানে, দল ওর উপর কতটা নির্ভর করে আছে। অনেকেরই মনে হতে পারে এটা দুর্বলতা আমাদের। তা মনে হলে হোক। ”

সোমবার ছিল ফটোশুটের অনুষ্ঠান। সব ফুটবলারকেই জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ফটোশুটে হাজির হতে হল। এখানেও পুরোটা জুড়েই ছেয়ে থাকলেন রোনাল্ডো। বিশেষ করে প্রথম দিকে তো ফটোগ্রাফারদের দিয়ে নিজেরই প্রচুর ছবি তোলালেন। এসব শেষ করে তার পর সতীর্থদের সঙ্গে ছবি, এবং তার পর আড্ডা ইত্যাদি। এই সব ব্যাপারে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার এই অভ্যাসের জন্যই পর্তুগিজ মিডিয়ার একটা অংশ বিরক্ত। এমন প্রশ্নও স্যান্টোসের দিকে এল, “এতে কি দলগত ব্যাপারটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না?” স্যান্টোস বললেন, “কোনওভাবেই না। ক্রিশ্চিয়ানো দলের পক্ষে ক্ষতিকারক, এটা কেউ বলবে না। কার মাথায় এসব আসে? ওর সবেতেই আরও বেশি করে কিছু চাই। আর এই দাবিটা নিজের কাছেই বেশি। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের থেকেও ও অনেক বেশি দাবি করে। তাই রাগও করে। ওর এই অ্যাঙ্গরি ইয়ং ম্যান ইমেজটা আমার ভাল লাগে। ওই রাগটা পারফরম্যান্সে পড়লে হয়।”

[সুয়ারেজ কামড়ালে আমিও কামড়াব, হুমকি রাশিয়ার ডিফেন্ডারের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.