FIFA World Cup 2026

শেষ ষোলোয় উঠে মাঠেই নৌকো বাইলেন হালান্ডরা, ভাইকিং রো’র নেপথ্যে লুকিয়ে কোন ইতিহাস?

কীভাবে এই 'ভাইকিং রো' এসে পৌঁছল বিশ্বকাপের মঞ্চে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৫:৩১

options
link
শেষ ষোলোয় উঠে মাঠেই নৌকো বাইলেন হালান্ডরা, ভাইকিং রো’র নেপথ্যে লুকিয়ে কোন ইতিহাস?
শেষ ষোলোয় উঠে 'ভাইকিং রো' সেলিব্রেশন হালান্ডদের।

বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) শেষ ষোলোয় নরওয়ে। তাদের ইতিহাসে প্রথমবার। মাঠে আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ডরা আইভরি কোস্টের রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে গিয়েছেন। আর ম্যাচের পর মাঠে বসেই নৌকো বাইল গোটা নরওয়ে দল। গ্যালারি থেকে সঙ্গী হলেন দর্শকরা। ইতিমধ্যে ভাইরাল নরওয়ের এই ‘ভাইকিং রো’। কী ইতিহাস জড়িয়ে এর সঙ্গে? কীভাবে তা এসে পৌঁছল বিশ্বকাপের মঞ্চে?

Advertisement

ফুটবল ভক্তদের জোট বেঁধে বিশেষ সেলিব্রেশন নতুন কিছু নয়। আইসল্যান্ডের ভাইকিং থান্ডার ক্ল্যাপ এখন গোটা বিশ্বে পরিচিত। কমলা জার্সি পরে রাস্তাজুড়ে ডাচদের ‘লেফট রাইট’ সেলিব্রেশনও ভাইরাল। আছে স্কটিশদের ‘নো স্কটল্যান্ড, নো পার্টি’। এখন চর্চায় নরওয়ের ভাইকিং রো। আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে হালান্ডরা মাতলেন নৌকো বাওয়ার সেলিব্রেশনে।

Advertisement

যেখানে দলবদ্ধ ভাবে সবাই পা সামনে রেখে মাটিতে বসেন। একজন ড্রামবাদক ছন্দ ঠিক করে দেন। দু’বার ড্রাম বাজানোর পর সমস্বরে বলতে হয় ‘রো’, তখন সকলে মিলে নৌকো বাওয়ার মতো করে হাত ও শরীর পিছন দিকে টানতে হয়। নরওয়ের ইতিহাসকে স্মরণ করেই হালান্ডদের এই সেলিব্রেশন। ‘ভাইকিং যুগে’ বড় জাহাজ নিয়ে নরওয়েবাসী বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিত। আজকের নরওয়ে তৈরিতে ৮০০ থেকে ১৫০০ সালের মধ্যে সেই ভাইকিংদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

তবে ফুটবল মাঠে এই সেলিব্রেশন এসেছে মাত্র ৪ মাস আগে। ওলে ফ্রয়স্টাড নামের এক সমর্থকের হাত ধরে মার্চ মাসে এই সেলিব্রেশন জনপ্রিয় হয়। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে প্রথম এই সেলিব্রেশন করা হয়। তারপর তা চলে আসে বিশ্বকাপে। সেনেগালকে হারিয়ে এভাবেই উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন হালান্ডরা। এবার ওডেগার্ডের নেতৃত্বে ফের একই সেলিব্রেশন। এরপর ৬ জুলাই ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নরওয়ের ম্যাচ। সেখানেও কি এই সেলিব্রেশন দেখা যাবে?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.